এক.
চৈত্রের অলস দুপুর। সূর্য বেশ ভালোমতোই তার দায়িত্ব পালন করছে। রুক্ষ একটা বাতাস হচ্ছে থেমে থেমে। গরম তাতে কমছে না, বরং আরো বাড়ছে। সাধারণত বাধ্য না হলে এমন সময় কেউ বাইরে বের হয় না। একটা জরুরি কাজ পড়ে গিয়েছিল, বাধ্য হয়ে বেরুতে হয়েছে। এখন ঘরে ফিরছি। বাসার কাছাকাছি আসতেই বেশ মজার একটা ঘটনা চোখে পড়লো। ১৮/১৯ বছরের এক তরুণ বেশ সাজগোজ করে একটা বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। চোখের সানগ্লাস, বুকে শার্টের মধ্যে গুঁজে রেখেছে। হাতে প্রেমফুল-টকটকে লাল গোলাপ। কৌতুহল হলো। তরুণের চোখের দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকালাম এক ব্যালকনির দিকে। স্কার্ট পরা ষোড়শী এক মিষ্টি কিশোরী। মাথায় কাপড়ের ব্যান্ড দিয়ে চুল বাঁধা। মুচকি মুচকি হাসছে! প্রচণ্ড গরমে মাথা গরম হয়ে ছিল। হাত চালিয়ে চুলের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা ঘামগুলো গ্রেফতার করতে করতে মুখ দিয়ে অটোমেটিক বের হয়ে গেল, “হায়রে মরার প্রেম! এই গরমে ঠায় দাঁড়িয়ে প্রেম করছে!” এই ঘটনা মনে করিয়ে দিলো ১২/১৩ বছর আগের একটা ঘটনা। প্রচণ্ড শীত। আমার ঠাণ্ডাও লাগে একটু বেশি। দু'টো সোয়েটারের উপর একটা জ্যাকেট চাপিয়ে বের হয়েছি স্কুলে যাবার জন্য। এর মাঝে দেখি এক তরুণী আপু শ্রেফ একটা শাড়ি আর অনেক সাজগোজ করে হাতে ফুল নিয়ে বাসার দিকে ফিরছে। চোখে মুখে খুশির একটা ঝিলিক। ডেট থেকে ফিরছে। এরকম অনেক ঘটনা দেখেছি, মশার কামড় খেয়ে সারারাত ফোনে কথা বলা, পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা জুড়ে ভালোবাসার কথা লেখা, ফেইসবুক “ফ্রেন্ডকে' স্রেফ একবার দেখার জন্য অল্প সময়ের নোটিশে দেশের এ মাথা থেকে ও মাথায় চলে যাওয়া! হাত কাটা, ইদুর মারা বিষ খাওয়াসহ আরো অনেক কিছু! প্রেমের এই যে পাগলামি, শীত, 8, বর্ষা, ঝড়, বৃষ্টি, জলোচ্ছাস কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা না করা-এগুলো কেন হয়? নারী পুরুষের এমন তীব্র আকর্ষণের কারণ কী? এমন প্রশ্ন ছিল মনের মধ্যে। উত্তরটা পেলাম বই লিখতে গিয়ে!
আমাদের দেহের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের যোগাযোগের জন্য এক ধরনের বার্তাবাহক আছে। এরা আমাদের রক্তে, টিস্যুতে, বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ভ্রমণ করে। বিজ্ঞানের ভাষায় এদের নাম হলো হরমোন। এই হরমোনগুলো আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের বেড়ে উঠা, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শরীরের মেটাবলিসম, যৌনতা, প্রজনন, মন ভালো-খারাপ, হতাশা, অনুপ্রেরণা-জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখে এই হরমোনগুলো।*! প্রেম ভালোবাসার আলোচনাতেও এই হরমোনগুলো মোটামুটি কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবেই আবির্ভূত হবার দাবি রাখে। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো, প্রেম, মোহ, কামনা, যৌনতা, ভালোবাসা-এসব ক্ষেত্রে হৃদয়ের ভূমিকাকে হাইলাইট করা হলেও মস্তিষ্কে এবং দেহে রিলিয হওয়া হরমোনের আলোচনা তেমন আসে না। প্রেমের জগৎটাকে ঠিকমতো বুঝতে না পেরে একের পর এক ভুল করে যাবার পেছনে এই হরমোনের ভূমিকাগুলো না বোঝা অনেকাংশেই দায়ী বলেই মনে হয়।
ভালোবাসার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয় এমন দুইটি বিষয় আমরা ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছি-মোহ এবং কামনা।
ওকে দেখলেই বুক ধুকপুক করা, বুকে সুখের মতো ব্যথা হওয়া, হৃদপিণ্ডের গতি বেড়ে যাওয়া, পেটের ভেতর প্রজাপতি নাচানাচি করা, হাত পা ঘেমে যাওয়া, নাক-কান চেহারা লাল হয়ে যাওয়া-গবেষকরা বলছেন, মোহের এই শারীরিক পরিবর্তনগুলোর কারণ হলো “ফিল গুড” হরমোন-ডোপামিন, নরেপিনেফ্রিন আর সেরাটোনিন রিলিয হওয়া। এই হরমোনগুলো নিঃসৃত হলে আমাদের ভালো লাগে, আনন্দের অনুভূতি হয়-দিল খুশ হয়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য যেমন, কোকেইন সেবন করলেও ডোপামিন নিঃসৃত হয়, পিনিক Site
আসলে ক্ষণিকের এই মোহ, এই ভালোলাগা মাদকের মতোই ভয়াবহ। চীনের একদল গবেষক গবেষণা করে দেখিয়েছেন, মাদকাসক্তি এবং প্রেমের মধ্যে আচরণগত এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন কেমিক্যাল প্রবাহের দিক থেকে অনেক feted
NCBI (The National Center for Biotechnology 1110011030011)-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ব্রেইন স্ক্যান করে দেখা গেছে, মাদকাসক্ত মানুষ হঠাৎ করে কোকেইনের মাদক নেওয়া বন্ধ করলে তার শরীর যেভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়, ব্রেকআপের পরেও প্রেমিক প্রেমিকাদের মস্তিষ্কে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।**! ছ্যাঁকা খাওয়া মানুষের মস্তিষ্কের এমআরআই করা হলো। আবার শারীরিক ব্যথায় আছে এমন মানুষের মস্তিষ্কেরও এমআরআই করা হলো। দেখা গেল, দুই ক্ষেত্রেই ব্রেইনের একই ধরনের ছবি পাওয়া যাচ্ছে।**৷ অর্থাৎ ব্রেকআপে শুধু মানসিক কষ্ট হয় না, গবেষকরা বলছেন, ব্রেকআপের ফলে শারীরিক কষ্টও অনুভূত হয়।।*৭ ব্রেকআপের সময় ফিল গুড হরমোনগুলো আর রিলিয হয় না, সেই সাথে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায় করোটিসল (cortisol) নামের একটা হরমোন রিলিয হয়ে। করোটিসল বাবাজির কাজ হলো-প্যারা দেওয়া, এটা হলো স্ট্রেস হরমোন। এই যে ব্রেইনে খুশি থাকার হরমোনগুলোর প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আবার চাপ সৃষ্টিকারী হরমোনের প্রবাই হচ্ছে, এ কারণে ব্রেকআপের পর খুব কষ্ট হয়। স্বভাবতই মানুষ এই কষ্টগুলো এড়াতে চায়। অবচেতন মন অন্তর থেকে চায় ব্রেইনে আবার সেই খুশির হরমোনগুলোর বন্যা বয়ে যাক। তাই বারবার সে মনে করিয়ে দেয় সেই মানুষটার কথা, যার কারণে একসময় সেই হরমোনগুলো রিলিয হয়েছিল। প্রাক্তনকে ভোলা তাই খুব একটা সহজ হয় না।
অন্যদিকে কারো প্রতি ভালোবাসা জন্মালে ব্রেইনে অসক্সিটোসিন এবং ভ্যাসোপরেসিন হরমোন নির্গত হয়। এই ধরনের হরমোন সাধারণত দুজন মানুষের মাঝে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন (যেমন মা এবং সন্তানের মধ্যে বন্ধন) গড়ার ক্ষেত্রে বের হয়।'* আর কামনার সময় সেক্স হরমোন যেমন টেস্টোসটেরন ও এস্ট্রোজেন রিলিয হয়।*”৷
তো মস্তিষ্কের এমন পরিবর্তন, হরমোন রিলিযের এই রহস্যময় ব্যাপারগুলো শুধু প্রেমিক প্রেমিকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। সম্পূর্ণ আগস্তক থেকে শুরু করে স্বল্প পরিচিত কিংবা পরিচিত কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক নেই, এমন যে কারো ক্ষেত্রে এর চাইতেও ব্যাপক রহস্যময় ব্যাপার ঘটতে পারে।
ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটালের গবেষক ২১-২৮ বছর বয়সী কয়েকজন পুরুষকে সুন্দরী নারীদের ছবি দেখায়। দেখা গেল, ছবি দেখা মাত্রই তাদের ব্রেইনের রিওয়ার্ড সেন্টার (7০310 center) সক্রিয় হয়ে গেল। কোকেইনের মতো মাদকও ঠিক একইভাবে মস্তিষ্কের এই অংশকে সক্রিয় করে ক্ষণিকের ভালো লাগা তৈরি করে। আসক্তি তৈরি করে। অর্থাৎ মোটামুটি সুন্দরী নারীদের একবার দেখলে, বারবার দেখার জন্য পুরুষের ব্রেইনে আসক্তি তৈরি 27 |]
আসলে সৃষ্টিগতভাবেই পুরুষ এমন যে আশপাশে কোনো নারী থাকলে অবচেতনভাবেই সেদিকে তার চোখ চলে যায়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, স্যান ফ্র্যানসিস্কোর সাইকিয়াট্রির ক্লিনিক্যাল প্রফেসর ©. লুআ্যান ব্রিযেনডাইন। ভদ্রমহিলা আ্যামেরিকান বোর্ড অফ সাইকিয়্যাট্রি oie নিওরোলজিরও একজন সদস্য। মস্তিষ্কের যে অংশ যৌনতার অনুভূতি তৈরি করে তা নারীদের তুলনায় পুরুষের মস্তিষ্কে ২.৫ গুণ বড়। ড. ব্রিযেনডাইনের মতে, এটাই সম্ভবত নারী আর পুরুষের ব্রেইনের সবচেয়ে বড় পার্থক্য। তিনি আরো বলেন, 'আশেপাশে মেয়ে থাকলে পুরুষের চোখ সেদিকে যায়। তাদের শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় সম্মোহিত ব্যক্তির মতো নজর আটকে যায়। আমি যদি বলতে পারতাম যে এই CHAIRS হওয়া থেকে পুরুষরা নিজেদের রক্ষা করতে পারে!
কিন্তু না, বাস্তবতা হলো তাদের পক্ষে এটা করা সম্ভব না। তাদের ভিসুয়াল ব্রেইন সার্কিট এমন ভাবেই তৈরি যে, তা সবসময় প্রজননের জন্য উর্বর সঙ্গী খুঁজতে থাকে। আশেপাশ দিয়ে যে নারীই যাক, ইচ্ছা না থাকলেও অবচেতন ভাবেই পুরুষ তাদের দিকে তাকায়-প্রজননের জন্য উর্বর সঙ্গী খোঁজে*।*%৷ সৌন্দর্য দেখে নারীরাও প্রভাবিত হয়। গবেষণায় দেখা যায়, কোনো কাজের আগে যদি নারীরা সুদর্শন পুরুষের সংস্পর্শে আসে তাহলে কাজে যাবার সময় তারা বেশি উত্তেজক পোশাক পরে (|) গবেষকরা বলেছেন, চেহারার সৌন্দর্যের চেয়ে পুরুষ বেশি গুরুত্ব দেয় শরীরের সৌন্দর্যকে, ফিগারকে। বিশেষ করে “বালুঘড়ি'র মতো গড়ন (hourglass figures, কোমর ও FTE অনুপাত ০.৭) পুরুষের পছন্দ। কারণ পুরুষের মস্তিষ্ক ধরে নেয় এধরনের শরীরের অধিকারী নারীরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং প্রজননের জন্য S47 [15 নিউষিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলিংটনের নৃতাত্ত্তিক ড. বার্নাবি ডিক্সনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়-সব পুরুষের চোখ প্রথমেই নারীর যে অঙ্গে আটকায় তা হলো বুক আর কোমর। সবচেয়ে বেশি সময় দৃষ্টি আটকে থাকেও এই দুই জায়গায়।।**! পুরুষ উত্তেজিত হয় দেখার দ্বারা (visuo-sexual), বিপরীতে নারী উত্তেজিত হয় স্পর্শ দ্বারা। একটা পা, বুক বা ঠোঁটের ছবি দেখেও পুরুষ উত্তেজিত হয়ে কাম মেটাতে পারে, যে কামের মধ্যে প্রেমের কোনো বালাই নেই। তাই পর্নোগ্রাফির ভোক্তা মূলত পুরুষ। কোটি কোটি টাকা খরচ করে পুরুষ নারীর নগ্ন দেহ দেখে। পণ্যের বিজ্ঞাপনে নারীর পা, পিঠ, পেট, বুক, হাত, হিপ ব্যবহার করা ডালভাতের মতো হলেও, পুরুষের পা পিঠ হিপ ব্যবহার করে কিন্তু বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় না-কারণ এটা আকর্ষণ জাগাতে পারে না।** আলাদা করে পুরুষদেহ বা পুরুষাঙ্গ নারীর আগ্রহের জায়গা না। নারীর কণ্ঠ শুনেও পুরুষ আকর্ষণ বোধ করে। কণ্ঠের মাধুর্য থেকেই প্রথম সেক্সের সময় সেই নারীর বয়স কতো ছিল, যৌনসঙ্গীর সংখ্যা কতো, অবৈধ যৌনসঙ্গী আছে কিনা,
তাকে পটানো যাবে কি না-ইত্যাদি নানা ব্যাপারে অনেক পুরুষ ধারণা করে |e] শিকাগোর স্মেল আ্যান্ড টেইস্ট ট্রিটমেন্ট আ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশানের ডিরেক্টর আ্যালান হার্শ দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, “সুগন্ধি মস্তিষ্কের সেই জায়গাগুলোকে উত্তেজিত করে যেগুলো যৌনাকাঙ্ক্ষার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। আর এর ফলে পুরুষের মনে যৌনচিন্তা চলে আসে”।
অসংখ্য পুরুষের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে গার্লফ্রেন্ড, এমনকি সম্পূর্ণ অপরিচিত নারীর দেহের সুগন্ধি তাদেরকে যৌনতার জন্য পাগল করে দেয়।*৭1*% লাল লিপস্টিক, লাল রঙের পোশাক, স্লিভলেস পোশাক, হাই হিল, মিনি স্কার্ট, লেগিংস, স্কিনি জিন্স, ডেনিম জ্যাকেট, লনজারে, নাইট গাউন এসব পোশাক পরা নারীদের বিজ্ঞাপনে যেমন অহরহ দেখা যায়, তেমনি ফ্যাশন হিসেবেও এগুলোর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী কারণ এঁ একটাই-এই পোশাকগুলো পরা নারীদের প্রতি পুরুষেরা তীব্র আকর্ষণ অনুভব করে।*”!
যেসব নারীরা লিপস্টিক দেয় না, তাদের চেয়ে লিপস্টিক দেওয়া নারীদের ছেলেরা প্রেমের প্রস্তাব বেশি দেয়।* গবেষকরা বলছেন-নারীর যৌন হেনস্থার পেছনে যে বিষয়টি কাজ করে তা হলো নারীকে রক্ত মাংসের মানুষ না ভেবে, একদলা He বা বস্ত মনে করা। নারীকে যখন বস্ত মনে করা হয়, তখন তার যে আবেগ অনুভূতি আছে, সে যে কষ্ট পায়-এই বিষয়গুলো আর মাথায় কাজ করে না। একজন মানুষ (পুরুষ/নারী) কেন একজন নারীকে IE মনে করে, তার একটা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে ইতালির, ইউনিভার্সিটি অফ ট্রেনটো'র সাইকোলজি এবং কগনিটিভ সায়েন্স বিভাগের (CiMEC) গবেষকদের কাছে। তারা বলছেন, বিকিনি বা অন্তর্বাস পরা মেয়েদেরকে অন্য পুরুষ এবং নারীদের মস্তিষ্ক বস্তু হিসেবে দেখে। একই কথা বলছেন প্রিন্টন ইউনিভার্সিটির সাইকোলজির প্রফেসর সুস্যান ফিস্ক। তিনি আরো বলছেন, পুরো শরীর কাপড়ে ঢাকা আছে এমন মহিলাদের চেয়ে, বিকিনি পরা নারীদেহ পুরুষদের মাথায় বেশিক্ষণ থাকে। একটি গবেষণায় পুরুষদের প্রথমে উত্তেজক পোশাক পরা নারীদের ছবি দেখানো হয়। তারপর অন্য সেটাপে অন্য একজন নারীর সাথে বসানো হয়। দেখা যায়, উত্তেজক পোশাকের নারীর ছবি দেখার কারণে পুরুষদের মাথায় তখন শুধু যৌনতার চিন্তা ঘোরাফেরা করছে। তারা সেই নারীর কাছাকাছি গিয়ে বসছে। এরকম অসংখ্য গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, নারী খোলামেলা পোশাক পরলো”! পুরুষেরা তাকে বেশি সেক্সি, বেশি আকর্ষণীয় মনে করছে। ধরে নিয়েছে, এই মেয়ে অলরেডি সেক্স করে ফেলেছে, এ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সেক্স করে। এর সাথে সহজেই প্রেম করা যাবে, বিয়ের বাইরেও যৌনতায় লিপ্ত হওয়া যাবে, যৌন হেনস্থা করা যাবে... এমনকি ধর্ষণও করা যাবে। কিন্তু রক্ষণশীল পোশাকের ক্ষেত্রে এমন হয়নি।'*১
বিজ্ঞানমনস্ক, সুশীল প্রগতিশীলরা সবক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে কষ্টিপাথর মানলেও নারী পুরুষের সাইকোলজি এবং হিউম্যান বায়োলজির এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের দেওয়া উপসংহারগুলো মানতে চায় না। সরাসরি অস্বীকার করে। নারীর শরীর, অবাধ মেলামেশা, পোশাক, কথাবার্তা, নারীপুরুষের সহজাত আকর্ষণ, যৌনতার প্রভাবক, মানুষকে যে এভাবেই বানানো হয়েছে-এ বাস্তবতাগুলো তারা অস্বীকার করে। নারীরা যা খুশি তাই পরুক, পুরুষ কেন তাদের দিকে তাকাবে, “মন ARG রেখে নারী- পুরুষ (TF বন্ধু হয়ে থাকতে পারে-এমন অবাস্তব ও অবৈজ্ঞানিক সব দাবিও তারা জোরেশোরে প্রচার করে। কেউ ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে গেলে ধর্মান্ধ, উগ্রবাদী ইত্যাদি ট্যাগ মেরে দেয়।
কিন্তু ইসলাম এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে এবং বাস্তবতা অনুযায়ী বিধান দেয়। নারীপুরুষের সম্পর্কের ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান এবং শরীয়াহর মূলনীতিগুলো নিয়ে আমরা পরে আলোচনা করবো। তবে উপরের এটুকু আলোচনা থেকেই আল্লাহর দেওয়া বিধানগুলোর পেছনে থাকা গভীর হিকমাহ আমরা কিছুটা হলেও ধরতে পারি। পর্দার বিধান, নজর নিয়ন্ত্রণের আদেশ, নারীপুরুষের মেলামেশাকে শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, রাস্তাঘাটে আড্ডা দেওয়াকে অনুৎসাহিত করা, বিয়ে সহজ করা, নারীর কণ্ঠের ব্যাপারে সতর্কতা, এমনকি ঘরের বাইরে নারীর সুগন্ধি ব্যবহারের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞাসহ ইসলামের প্রতিটি বিধান মানুষের ফিতরাহ এবং নারী ও পুরুষের জৈবিক আকর্ষণের বাস্তবতার সাথে সামগ্জস্যপূর্ণ।*খ ইসলাম শুধু মানুষকে নিষেধ করে না, বরং এমন এক পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা দেয়, যা মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে থাকতে এবং আল্লাহর আনুগত্য করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে আধুনিক সেক্যুলার বিশ্বকাঠামো এমন এক চিন্তাধারা এবং ব্যবস্থা তৈরি করে যা ক্রমাগত মানুষকে গুনাহর দিকে ঠেলে দেয়।
দুই.
প্রেমের আলকেমির পেছনে খুব শক্তিশালী, খুব বড় একটা ফ্যাক্টর সেক্স। যৌনতা। যৌনতা এমন একটা বিষয় যার ছায়া এবং সীমানা থেকে নারীপুরুষের সম্পর্ক কখনোই বের হতে পারে না। নারী পুরুষের সম্পর্ককে যতোই রোমান্টিকভাবে উপস্থাপন করা Men see bikini-clad women as objects, psychologists say, CNN, tinyurl. com/3uvem42c
হোক না কেন, যতোই নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব কিংবা ভাইবোন পাতানো হোক না কেন, যতোই “পবিত্র মন” বা “পবিত্র সম্পর্কের' বুলি আওড়ানো হোক না কেন-তাতে বাস্তবতা বদলায় না। বিষয়টার উপর মানুষের সবসময় নিয়ন্ত্রণও থাকে না। যৌনতার কলকন্জাকে মানুষের মন সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। নারী এবং পুরুষকে পাশাপাশি রাখা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই চালু হয়ে যায় যৌনতার রসায়ন। আসলে প্রত্যেক নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর 'ট্রু লাভে'র অনুভূতিকে চালিত করে যৌনতা। শরীরী চাহিদা। আর শারীরিক এই ক্ষুধা আমাদের চিন্তাকে প্রভাবিত করে নানাভাবে।
“প্রেমে পড়া”র সময়টাতে এক দিকে মস্তিষ্কে চলতে থাকে হরমোনের বন্যা। অন্যদিকে শরীরী চাহিদার বাস্তবতা অস্বীকার কিংবা আড়াল করতে গিয়ে চলে নিজের সাথে নিজের মিথ্যাচার। দুইয়ে মিলে তৈরি হয় এক বিচিত্র মানসিক অবস্থা। হরমোনের শ্রোত আর যৌনতার জোয়ারে ঠিকভাবে চিন্তা করাই কঠিন হয়ে যায়। তীব্র আবেগের এক কল্পজগতে মানুষ হাবুড়বু খেতে শুরু করে। যেটাকে আমরা প্রেম বলছি, যেটাকে আমরা পবিত্র বলে মহিমান্বিত করছি, তা আসলে শরীরী ক্ষুধা আর পিটুইটারির খেলা কেবল। সব কথা, কবিতা আর কল্পনার খেলাঘর পার হবার পর সত্য হলো, এই যে প্রেম-যার জন্য তুমি আকাশ-পৃথিবীর সীমারেখা ভুলতে বসেছো, তা আসলে তোমার মস্তিষ্ক আর যৌনাঙ্গের মিথক্ক্রিয়া ছাড়া আর কিছুই না।
জাপানে কিছু TBE হোটেল আছে। শরীরের উষ্ণতা ভাগাভাগি করতে উদগ্রীব যুগলদের জন্য চারদেওয়ালের ভেতরে একটা বিছানার ব্যবস্থা করে দেওয়া হলো এসব হোটেলের মূল কাজ। এই হোটেলগুলোতে পতিতাও মেলে সুলভ মৃূল্যে। সব দেশেই এ ধরনের হোটেল আছে, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া এই বাংলাদেশেও এখন আছে অনেক। তবে মজার এবং আমাদের আলোচনার সাথে প্রাসঙ্গিক দিক হলো, এই হোটেলগুলোকে জাপানে বলা হয় 'লাভ হোটেল”। সাময়িক যৌন সুখের জন্য ঘণ্টা হিসেবে বিছানা ভাড়া দেওয়া ব্যবসার নাম হল ভালোবাসার হোটেল! এই তো ভালোবাসা! এক দিক থেকে এই নামটা প্রেমের বাস্তবতাকে খুব ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলে। কারণ দিন শেষে প্রেমের শতো শতো গল্পের পেছনে মূল বাস্তবতা হল যৌনতা। সরাসরি স্বীকার না করলেও একটা পর্যায়ে আমরা সবাই এ বাস্তবতা জানি। উপলব্ধি করি।
এজন্যই তো ভালোবাসা দিবসগুলোতে কনডমের বিক্রি বেড়ে যায়, বিশেষ ছাড় কিংবা প্যাকেজ দেওয়া হয়, তাই না? বিশেষ দিবসগুলোতে আবাসিক হোটেলগুলোতে থাকে বিশেষ অফার। এজন্যই ক্লোজআপ কাছে আসার গল্পের মার্কেটিং এর জন্য বেছে নেয় TT তোলা রিকশাকে। এজন্যই তো রিলেশনশিপের ওয়াজিব অংশ হয়ে যায় বিছানায় যাওয়া। এজন্যই তো ভালোবাসার নামে শুরু হওয়া পবিত্র সম্পর্ক ভাঙার কিছুদিনের
মধ্যে আরেক “পবিত্র ভালোবাসা” খুঁজে নিতে দেরি হয় না। তাই না?
কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগছে? কষ্ট হচ্ছে মেনে নিতে?
আচ্ছা ধরো, তোমার কাছে দুইজন মেয়ে ম্যাথ বুঝতে আসলো। একজন ভোম্বলের মতো মোটা, দাঁত উচু। আরেকজন মোটামুটি সুন্দরী, ভালো ফিগারের। কাকে ম্যাথ বোঝাতে তোমার বেশি ভালো লাগবে? কার মুখে “ভাইয়া” ডাক শোনার জন্য তোমার মন আঁকুপাঁকু করবে?
ক্যাম্পাসের একটা সুন্দরী জুনিয়র মেয়েকে সাহায্য করতে যেভাবে উতলা হয়ে যাও, কোনো ছেলেকে সাহায্য করার জন্য সেভাবে পাগল হও না কেন? কেন বেচারা ছেলেগুলোকে ধরে ধরে সিনিয়দের সালাম দেবার নিয়মকানুন শেখাও? মেয়েদের দিকে যেভাবে মনোযোগ দাও ছেলেদের কেন সেভাবে দাও না?
ঘরের মধ্যে তুমি এলোমেলো এলোচুলে ঘরোয়া পোশাকে থাকো। কিন্তু বাইরে বের হলে, ক্যাম্পাসে গেলে কেন সাজগোজ করে, মেকআপ করে, সুন্দর আকর্ষণীয় পোশাক পরে যাও?
পুরো দৃশ্যপট থেকে শারীরিক সৌন্দর্য এবং যৌনতার ব্যাপারটা ডিলিট করে দাও। এবার চিন্তা করো। সমীকরণ মেলাতে পারছো?
গার্লফ্রেন্ড যদি কখনোই সেক্স করতে না দেয়, শরীরে হাত দিতে না দেয়, তুমি তার সাথে প্রেম করবে? বয়ফ্রেন্ড যদি নপুংসক হয় তুমি তার সাথে সম্পর্ক চালিয়ে যাবে? যৌনতাবিহীন কোনো সম্পর্ক কী হবে?
সৎ হও। আমাকে বলতে হবে না, তুমি নিজের কাছে স্বীকার করে নাও যে এই ভালোলাগা, এই আকর্ষণ, এই প্রেমের মূলে রয়েছে যৌনতা।
সেক্স আসলে মানুষের ফিতরাহর একটা ব্যাপার। আলোবাতাস, পানি, খাবারের মতো আরেকটা প্রয়োজন। খাবার না খেলে যেমন ক্ষুধা লাগে তেমনি একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর৷**৷ সেক্স করতে না পারলে শরীরের ক্ষুধা জাগবে, এটা অতি স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। তাছাড়া নারী পুরুষের ভালোবাসা, যৌনতা কেবল নিছক বিনোদন কিংবা শারীরিক ক্ষুধা মেটানোর পদ্ধতি না, প্রাণীজগতে অন্যের প্রক্রিয়াকেও এর সাথে যুক্ত করে দিয়েছেন আল্লাহ্ তা'আলা। ব্যক্তি মানুষ থেকে শুরু করে পরিবার, সমাজ, সভ্যতা সবকিছুকে যৌনতা প্রভাবিত করে।
নারীপুরুষের আদিম সম্পর্কের এই বাস্তবতাগুলোকে ইসলাম অস্বীকার করে না।
ইসলাম আমাদের কাছে অতিমানবীয় কোনো কিছু দাবি করে না। তবে ইসলাম সুনির্দিষ্ট পথ দেখিয়ে দেয়। আল্লাহ সুব”হানাহু ওয়া তা'আলা যৌনতা ও আকর্ষণের বিষয়গুলোকে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে, শৃঙ্খলের মধ্যে বেঁধে দিয়েছেন -যেন শয়তান মানুষকে প্রতারিত করতে না পারে। যেন যৌনতার ফাঁদে পড়ে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে না যায়। যৌনতার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা নির্ধারণ করেছেন বিয়ের বন্ধনকে।** নারীপুরুষের পর্দার বিধান দিয়েছেন, চোখের হিফাযত করতে বলেছেন। সমাজে নারীপুরুষের অবাধ মেলামেশাকে নিষিদ্ধ করেছেন। অশ্লীলতা থেকে দূরে সরে থাকার প্রতিদান হিসেবে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যিনা-ব্যভিচারের সকল পথ বন্ধ করে দিয়ে বলেছেন,
“তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ এবং তা কত না মন্দ পথ! (যা অন্যান্য নিকৃষ্ট কর্ম পর্যন্ত পৌঁছে orm) le! কিন্তু যৌনতার এই দিকটা আধুনিক বিশ্ব কেন যেন স্বীকার করতে চায় না। উল্টো নানা অজুহাত আর রোমান্টিক রহস্যের চাদরে আড়াল করতে চায় নারীপুরুষের চিরাচরিত আকর্ষণের এই আলকেমিকে। একই সাথে ক্রমাগত সবক দিয়ে যায় ব্যক্তি স্বাধীনতা, নারীপুরুষের অবাধ মেলামেশা আর যেমন খুশি তেমন যৌনতার। শায়খ আলী তানতাউয়ী (রহ.) ছিলেন গত শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আলিম, বিচারক। বিশ হাজারের মতো বিয়ে সংক্রান্ত মামলা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। তিনি বলেন, “মনে রাখবে, প্রেম শুধু যৌন সম্পর্কের আগ্রহেরই নাম। কবিরা যতোই প্রেমকে সুসজ্জিত ও অলঙ্কৃত করে উপস্থাপন করুক, ভদ্র ও নিষ্কাম প্রেম ফালতু কথা। এর সমাদর শুধু পাগল ও যুবকদের কাছে। যুবক যুবতীর প্রেম হলো যৌনমিলনের আকাঙ্ক্ষা, এ আকাঙ্ক্ষা শেষ হলে তাদের প্রেমও শেষ হয়ে যায়। প্রেমপাগল মজনুর তখন হুঁশ ফেরে। তার চোখে লায়লা তখন অন্য সাধারণ নারীর মতোই ধরা দেয়। পেট ভরে গেলে ক্ষুধার্ত ব্যক্তির খাবারের প্রতি যেমন কোনো আগ্রহ থাকে না, তেমন মেয়েটির প্রতি তারও কোনো আগ্রহ থাকে না। প্রেম এক সাময়িক বন্ধন। যা প্রথম স্পর্শেই ছিন্ন হয়ে যায়। স্পর্শ বলে কী বোঝাচ্ছি আশা করি বুঝতে পেরেছো।”*১! নাও হতে পারে। কারো ওপর সাবালকের বিধান প্রয়োগ হওয়ার পরও তার কাম না থাকতে পারে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে বালেগ হবার আগেই কোনভাবে তার মধ্যে কাম তৈরি হয়ে যেতে পারে।
---
টীকা ও তথ্যসূত্র
[৩১] Hormones, medlineplus.gov- tinyurl.com/4dds7a67 [93] The Chemistry of Love — tinyurl.com/ymct7hhf Zou Z, Song H, Zhang Y, Zhang X. Romantic Love vs. Drug Addiction May Inspire a New Treatment for Addiction. Front Psychol. Sep 22, 2016- tinyurl.com/ y3eu7tj6 How to tell the difference between lust and love, Insider, Jan 27, 2021- tinyurl. com/4xs9hnnt [৩৩] Romantic Love vs. Drug Addiction May Inspire a New Treatment for Addiction. Front Psychol. Sep 22, 2016- tinyurl.com/y3eu7tj6 [৩৪] Teenage Heartbreak Doesn’t Just Hurt, It Can Kill, scitechconnect.elsevier. com, September 18, 2017-tinyurl.com/36b46ejx Collins, W. A., Welsh, D. P., & Furman, W. (2009). Adolescent romantic relationships. Annual review of psychology, 60(1), 631-652. [৩৫] Gunther Moor, B., Crone, E. A., & van der Molen, M. W. (2010). The heartbrake of social rejection: Heart rate deceleration in response to unexpected peer rejection. Psychological science, 21(9), 1326-1333. Fisher, H. E., Brown, L. L., Aron, A., Strong, G., & Mashek, D. (2010). Reward, addiction, and emotion regulation systems associated with rejection in love. Journal of neurophysiology, 104(1), 51-60. Schwartz, Barry. “The paradox of choice: Why more is less.” (2004). Witt, J. K., & Dorsch, T. E. (2009). Kicking to bigger uprights: Field goal kicking performance influences perceived size. Perception, 38(9), 1328-1340. [৩৬] Why Breaking Up Is Like Getting Over A Cocaine Addiction, Says Science, yourtango.com, Jul 31, 2021- tinyurl.com/35pshj4k 5 Scientific Reasons Why Breakups Are Devastating, huffpost.com, Nov 17, 2011- tinyurl.com/3wvxktur [৩৭] Infatuation vs. Love, Diffen.com -tinyurl.com/2z76pvn2 8 Ways To Tell The Difference Between Love & Lust, amp.mindbodygreen.com- tinyurl.com/44avyuvw How to tell..., Insider - tinyurl.com/4xsOhnnt Love vs Like: 25 Differences between I Love You and I Like You,marriage.com,Jul 5, 2022- tinyurl.com/5n9adbzn How Love Works. howstuffworks.com - tinyurl.com/zvh4b8x8 [9b] The Chemistry of Love — tinyurl.com/ymct7hhf How to tell...- tinyurl.com/4xsOhnnt [ws] Beautiful Faces Trigger Reward Center of Brain, ABC News- tinyurl.com/34frurf9 [80] Love, sex and the male brain, CNN,March 25, 2010- https://archive.is/5ZEEQ [8১] Durante, K. M., Griskevicius, V., Hill, ও. E., Perilloux, C., & Li, N. P. (2011). Ovulation, female competition, and product choice: Hormonal influences on consumer behavior. Journal of Consumer Research, 37(6). [8২] Why Science Says Men Go for Women with Hourglass Figures, menshealth. com, Jun 18,2019- tinyurl.com/d2xzfwmv [8৩] Dixson, 9. J., et al. (2011). Eye tracking of men’s preferences for female breast size and areola pigmentation. Archives of Sexual Behavior, 40(1). [88] Men and the Power of the Visual, PragerU, - tinyurl.com/y3c9yvy4 [8৫] Hughes, S. M., Dispenza, F., & Gallup Jr, 0. 0. (2004). Ratings of voice attractiveness predict sexual behavior and body configuration. Evolution and Human Behavior, 25(5), 295-304. O’Connor, J. J., Re, D. E., & Feinberg, D. R. (2011). Voice pitch influences perceptions of sexual infidelity. Evolutionary Psychology, 9(1). [8৬] Hirsch, A., & Gruss, J. (1999). Human male sexual response to olfactory stimuli. J Neurol Orthop Med Surg, 19, 14-19. Scents That (Really!) Seduce Him, Cosmopolitoan- tinyurl.com/mz92r4h4 [8৭] এরকম আরও অনেক গবেষণা রয়েছে। সেগুলোর জন্য দেখা যেতে পারে চিকিৎসক, লেখক ও অনলাইন এক্টিভিস্ট ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি রচিত “মানসাংক” বইটি। আমাদের এই লেখার বেশ কিছু তথ্য মানসাংক বইটি থেকে নেওয়া হয়েছে। [8৮] Elliot, A. J., & Niesta, D. (2008). Romantic red: red enhances men’s attraction to women. Journal of personality and social psychology, 95(5). The Red-Dress Effect Men see women wearing red as more open to romantic advances, science.org- tinyurl.com/mhd5vkh5 3 Universally Attractive Outfits, According to Science,whowhatwear.com, - tinyurl.com/2p99pr3w 5 Items That Make Women Scientifically More Attractive to Men, whowhatwear. co.uk - tinyurl.com/yc6s3e4v Do Men Like a Woman in Red Lipstick? The Answer May Surprise You, stylecaster. com,Sep 04, 2013- tinyurl.com/yckzbvw8 [8৯] Guéguen, N. (2012). Does red lipstick really attract men? An evaluation in a bar. International Journal of Psychological Studies, 4(2), 206. [৫০] এটা ইচ্ছাকৃতভাবে পুরুষদের পুরুষদের প্রলুন্ধ করার জন্য হতে পারে, অথবা এমনিই নিজের ভালোলাগায় পরা হতে পারে। কিন্তু নারী পুরুষদের প্রলুব্ধ করতে না চাইলেও পুরুষরা সব সময় একই অর্থ করেছে। [৫১] Awasthi, B. (2017). From Attire to Assault: Clothing, Objectification, and De- humanization—A Possible Prelude to Sexual Violence?. Frontiers in psychology, 8, 338. Guéguen (2011). The Effect of Women’s Suggestive Clothing on Men’s Behavior and Judgment: A Field Study Researchers study sexual objectification in brain processes, medicalxpress.com, May 1, 2019 -https://archive.is/aQpVa Johnson, K., Lennon, S. J., & Rudd, N. (2014). Dress, body and self: Research in the social psychology of dress. Fashion and Textiles, 1(1) [৫২] “...তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করো, তাহলে পরপুরুষের সঙ্গে আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, যাতে যার অন্তরে ব্যাধি আছে সে প্রলুত্ধ হয়।...' [সূরা আহ্যাব, আয়াত ৩২] Woman'’s Voice in Quran, Islamweb - tinyurl.com/Sbx6vwyf নবী (৯) বলেছেন - প্রত্যেক চোখই ব্যভিচারী। আর মহিলা যদি (কোনো প্রকার) সুগন্ধি ব্যবহার করে কোনো (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে, তবে সে ব্যভিচারিণী।” তিরমিযী ২৭৮৬, আবু দাউদ ৪১৭৩ (আংশিক), সহীহুল জামে ৪৫৪০। ইমাম তিরমিযী হাদিসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। [৫৩] ইসলামী শরীআহর আলোকে আমরা জানি, এটা ঘটে স্বপ্নদোষ বা মাসিক (মেয়েদের ক্ষেত্রে) হবার মাধ্যমে বালেগ বা প্রাপ্তবয়স্ক হবার সময় থেকে। শরীআহ অনুযায়ী (স্বপ্নদোষ, মাসিক ইত্যাদি) বালেগ হওয়ার আলামত প্রকাশ হওয়ার পর থেকে তার ওপর সাবালকের বিধান প্রয়োগ হবে। এবং সাধারণত: এই সময় তার মধ্যে যৌনতার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এক রকম [৫8] নবী (#8) বলেছেন - “হে যুবকের দল, তোমারদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ রাখে সে যেন বিবাহ করে। (বুখারী ৫০৬৫, মুসলিম ১৪০০ TF, ৩২৬৮)” [৫৫] সূরা বনী ইসরাঈল, ১৭:৩২ [৫৬] লাভ ম্যারেজ, শায়খ আলী তানতাউয়ী, বইঘর পাবলিকেশন, পৃষ্ঠা ১৫-১৬
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনার হোক।
মন্তব্য করতে প্রবেশ করুন — ফিরে আসবেন ঠিক এখানেই।