এক.
প্রেম বলতে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ও সমাজে যে ব্যাপারটাকে বোঝানো হয়, সেটার নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে এতো এতো তথ্য আর আলোচনার পরও কেউ একটা আপত্তি হয়তো তুলতে পারে। কেউ হয়তো বলতে পারে — আমি তো এমন অনেককে দেখেছি যারা চুটিয়ে প্রেম করেছে। শরীরের আনন্দ ভাগাভাগি করেছে দেদারসে। কিন্তু তাদের তো তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। কেউ আত্মহত্যা করেনি, মাদকাসক্ত হয়নি, পরীক্ষায় ফেল করেনি, ডিপ্রেশনে ভোগেনি। বরং এদের সফল ক্যারিয়ার আছে, অনেকের রিলেশনশিপ বিয়ে পর্যন্ত গড়িয়েছে। সেই বিয়ে দিব্যি ঠিকঠাক চলছে। অনেকে বিয়েই করেনি, এখনো দিব্যি এইসব করে বেড়াচ্ছে। মজায় আছে। প্রেম-ভালোবাসার যে ছবিটা আপনি আঁকলেন, তার সাথে এই বাস্তবতা তো মেলে না। এ ধরনের উদাহরণগুলো আপনার কথাকে নাকচ করে দেয়। হ্যাঁ, প্রেমের সম্পর্ক অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাত্রায় ভোগান্তি নিয়ে আসলেও, 'সফল' প্রেমের গল্পও পাওয়া যায়। কিন্তু এ থেকে আসলে আমাদের বক্তব্য ভুল প্রমাণিত হয় না। আবারো মনে করিয়ে দেই, আমাদের মূল বক্তব্য আসলে কী। আমরা বলছি, প্রেমের সম্পর্ক অধিকাংশ ক্ষেত্রে নেতিবাচক পরিণতি নিয়ে আসে। সেই নেতিবাচক পরিণতির মাঝে আছে প্রতারণা, প্রেমিক-প্রেমিকাকে ব্যবহার করা, র্যাকমেইলিং, ডিপ্রেশন, পড়াশোনা বা ক্যারিয়ারে প্রভাব, মাদকাসক্তি, অবাধ যৌনাচার, ধর্ষণ, পরিবারের ভাঙন, অপরাধ ইত্যাদি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা গেলে সেটা অধিকাংশ ফলাফলকে নাকচ করে না। ধরো, সাত তলা থেকে লাফ দিলে সবাই মারা যায় না। শতকরা ১০% মানুষ হয়তো এর পরও বেঁচে যেতে পারে। কিন্তু তার মানে কিন্তু এই না যে, যেহেতু ১০০% মানুষ মারা যাচ্ছে না, যেহেতু সাত তলা থেকে 'সফল লাফানো'র উদাহরণ আছে, তাই সবাই সাত তলা থেকে এখন লাফানো শুরু করবে। অথবা সবাইকে সাত তলা থেকে লাফাতে উৎসাহিত করা হবে। কাজটাকে খুব চমৎকার, সুখের কিছু একটা হিসেবে
তুলে ধরা হবে!
একইসাথে এটাও মনে রাখা দরকার যে প্রেম, যিনা এবং যৌনতার ব্যাপারে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব শুধু ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না। এর আছে দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক ও সভ্যতাগত নেতিবাচক প্রভাব। আমরা এরই মধ্যে আলোচনা করেছি, কীভাবে এ বিষয়গুলো ব্যক্তি, সমাজ, পরিবার ও সভ্যতাকে ধ্বংস করছে তিলে তিলে। কাজেই, অনেকে “মজায় আছে”, এই উদাহরণ ব্যক্তিপর্যায়ে টানা গেলেও, সামষ্টিক যে নেতিবাচক প্রভাব সমাজ ও সভ্যতার ওপর পড়েছে, সেই বাস্তবতা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব না।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, প্রেম নেতিবাচক ফলাফল আনে, অতএব প্রেম থেকে দূরে থাকো-এটি আমাদের দাবি না। প্রেমের ব্যাপারে আমাদের মৌলিক আপত্তি হলো, প্রেম মহান আল্লাহর অবাধ্যতা, যা মানুষকে বিভিন্ন গুনাহর দিকে নিয়ে যায়। প্রেম সম্পর্কে আমরা যেভাবে ভাবতে অভ্যস্ত তা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক, এ কথা স্পষ্ট। বিয়ের বাইরে মহান আল্লাহ যৌনতার স্বাধীনতা দেননি। এটি কবীরা গুনাহ। আর কোনো রিলেশনশিপে যদি যৌনতা না-ও থাকে, তবুও সেখানে গাইর-মাহরামের সাথে কথা বলা, দেখা করা, একাকী সময় কাটানো, “সম্পর্ক গড়ে তোলা”-র মতো অনেক বিষয় থাকে যা পরিষ্কার হারাম। মহান আল্লাহর অসংখ্য বিধানের স্পষ্ট অবাধ্যতা। দুনিয়াতে যদি কেউ এই গুনাহগুলোর ফলাফলের মুখোমুখি হওয়া থেকে বেঁচেও যায়, আখিরাতে তাকে অবশ্যই মহান আল্লাহর সামনে জবাবদিহি করতে হবে। কাজেই কেউ যদি দুনিয়াতে বস্তবাদী অর্থে প্রেম করে 'সফল”ও হয়, তবু বিচারের দিনে তাকে এক মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে। প্রেম এমন এক পথ যা মানুষকে ক্রমেই আরো বড় বিচ্যুতির দিকে নিয়ে যায়। হয়তো শুরুটা হয় চোখের দেখা থেকে। কিন্তু ধীরে ধীরে এক গুনাহ অসংখ্য গুনাহর পথ খুলে দেয়।
আর ব্যাপারটা শুধু জেনেশুনে আল্লাহর অবাধ্যতা করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। সেই অবাধ্যতাকে মানুষ উদযাপন করছে, এ নিয়ে গর্ব করছে, সবার সামনে নিজের গুনাহ প্রকাশ করছে এবং এই অবাধ্যতাগুলোকে সমাজে একরকম নিয়ম বানিয়ে ফেলা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এগুলো চরম বিপর্যয়। আর সেই বিপর্যয়গুলোর কিছু কিছু আমরা ব্যক্তি, সমাজ ও সভ্যতার মাঝে দেখতে পাচ্ছি। আমাদের পুরো আলোচনা গড়ে উঠেছে এই অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে।
দুই.
বস্তবাদী, সেক্যুলার চিন্তায় অভ্যস্ত হয়ে যাবার কারণে গুনাহর ব্যাপারে আমাদের অনুভূতিগুলো ভোঁতা হয়ে গেছে। ভালোমন্দ বা হারাম-হালালের ব্যাপারে মহান আল্লাহর সিদ্ধান্ত জানাটাই যে যথেষ্ট, এখানে যে আর বাড়তি তথ্যউপাত্ত, যুক্তিতর্কের দরকার নেই, এই উপলব্ধি আমরা হারিয়ে ফেলেছি। আমাদের অন্তরগুলো মরে গেছে।
তাই আমরা শুধু অজুহাতের খোঁজ করি অথবা নানা যুক্তিতর্ক হাতড়ে বেড়াই। সহজ বিষয়গুলো তখন আর সহজে বোঝা যায় না। একটা তথাকথিত সফল প্রেমের ক্ষেত্রে কী ক্ষতিগুলো হয়, এসো সংক্ষেপে একটু দেখা যাক। প্রেম হলো মানুষের প্রাকৃতিক চাহিদা মেটানোর অবৈধ পথ। এই অবৈধ পথের অনেক ক্ষতি আছে, কিন্তু সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হলো, এই পথ বান্দাকে আল্লাহর কাছ থেকে দূরে নিয়ে যায়। আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্কের মাঝে দেওয়াল তুলে দেয়। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়্যিম (রহ.) এর একটা বই আছে, “ইথাসাহ্ আল-লাহফান মিন মাসায়িদিশ-শাইত্বান”। বইটাতে তিনি সুন্দর একটা ঘটনা উল্লেখ করেছেন। আমাদের কোনো একজন সালাফকে (নেককার পূর্বসুরী) জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ভালোবাসার ব্যাপারে। উত্তরে তিনি খুব সুন্দর একটি কথা বলেছেন। তিনি বলেন,
“ভালোবাসা দিলের একটি রোগ। যেসব মানুষের দিল (বা মন) আল্লাহর স্মরণ
থেকে উদাসীন থাকে, আল্লাহ 4 তাদেরকে শাস্তিস্বরূপ কোনো মাখলুকের গোলাম
বা বান্দা বানিয়ে দেন।' ইবনুল জাওযী (রহ.)-ও এমনটা বলেছেন,
“প্রেমিকদের মন-মগজ প্রথম পর্যায়েই স্রষ্টার চিন্তা থেকে উদাসীন হয়ে যায়।
আল্লাহর পরিচয়, আল্লাহর ভয় তথা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চিন্তা তার অন্তরে
থাকে না। এরপর যতো হারাম কাজ করে, ততো বেশি আখিরাতের ক্ষতিতে জড়িয়ে পড়ে। আপন সৃষ্টিকর্তার কঠোর শাস্তির হকদার সাব্যস্ত হয়। এভাবে সে যতোই তার কামনা ও প্রেমাসক্তির নিকটবর্তী হয়, ততোই তার প্রতিপালকের থেকে দূরবর্তী
হয়ে যায়।”' ১৮ তিনি আরো বলেন,
“নারী আসক্তি ও গুনাহের কারণে অন্তর মরে যায়, ফলে সে আল্লাহর কাছে
মুনাজাতের স্বাদ পায় না, পবিত্র কুরআন তার অন্তরে অবস্থান করে না। আল্লাহর
কাছে ক্ষমা প্রার্থনাসহ অন্যান্য ইবাদত তার কাছে অর্থহীন মনে হয়। আরো অনেক অবক্ষয় রয়েছে, যা তাকে আস্তে আস্তে গ্রাস করে নেয়, যা সে অনুধাবনও করতে পারে না। তার অন্তরের দিগন্ত জুড়ে বিস্তৃত হয় গুনাহের অন্ধকার, নষ্ট হয়ে যায়
তার অন্তর দৃষ্টি”। ১১! শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেছেন,
“জেনে রাখো, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ব্যতিত কোন কিছুকে
ভালোবাসবে, অবশ্যই তার ভালোবাসার বস্তুটি তার ক্ষতি করবে।... আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ব্যতিত যে ব্যক্তি কোন কিছুকে ভালোবাসবে, পাওয়া যাক বা না পাওয়া যাক, তার কারণে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি না পাওয়া যায়, তাহলে সে না পাওয়ার শাস্তি ও কষ্ট ভোগ করবে। আর যদি পাওয়া যায় তাহলে সে তা যতটুকু উপভোগ করতে পারবে তার চেয়ে বেশি কষ্ট AF] ব্যাপারটা একবার চিন্তা করো, তুমিনিজের হাতে মহান আল্লাহর সাথে তোমার সম্পর্কের মাঝে দেওয়াল তুলে দিচ্ছে যে আল্লাহ তোমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন, শত নাফরমানি সত্ত্বেও যে আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দিতে প্রস্তুত, যে আর-রাহমান প্রতিনিয়ত তোমাকে রিযক দিয়ে যাচ্ছেন, যাঁর দরজা তোমার জন্য সবসময় খোলা, তুমি নিজে তাঁর কাছ থেকে দূরে চলে যাচ্ছে! কেন? একটা তুচ্ছ মানুষের জন্য? কিছু সস্তা সুখের জন্য? শরীরের আরামের জন্যে? এ কেমন অভিশপ্ত লেনদেন? প্রেম অনেক সময় হারামের গণ্ডি পেরিয়ে আরো ভয়ঙ্কর পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ ব্যাপারে ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন, “প্রেম কখনো এমনও হয় যে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়... ওই ব্যক্তির মত যে তার প্রেমাস্পদকে আল্লাহর প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলে, আল্লাহকে যেভাবে ভালোবাসে, তাকে সেভাবেই SIRI SoG মনে হচ্ছে? মুঝে তুঝমে রাব দিখতা হ্যায়...বান ME হো তুম মেরে খুদা...এ ধরনের গান কিন্তু একেবারে কম না! ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এ ধরনের প্রেমের কিছু লক্ষণ বলে দিয়েছেন। সেগুলো দেখলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হবে। তার মতে, এ ধরনের প্রেমের লক্ষণ হলো: “প্রেমিক তার প্রেমাস্পদের TREE আল্লাহর সন্তপ্টির উপর প্রাধান্য দেবে। যদি কখনো আল্লাহর হক আর প্রেমাস্পদের হকের মাঝে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তখন আল্লাহর হকের ওপর প্রেমাস্পদের হককে প্রাধান্য দেবে।” ১১ একটু ভালো করে ভেবে বলো তো, প্রেমের সম্পর্কে এমন ব্যাপার ঘটে কি না? উত্তরটা কাউকে বলতে হবে না, শুধু নিজের কাছে স্বীকার করলেই হবে। তোমাদের মনে করিয়ে দেই, ইসলামের খুব বেসিক একটা কনসেপ্ট হলো- আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (4) -কে ভালোবাসতে হবে দুনিয়ার সবার চাইতে, সবকিছুর চাইতে বেশি। তাঁরা হবেন আমাদের জীবনের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। তাঁরা আসবেন সবার প্রথমে। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (৯) প্রকৃত বিশ্বাসী হবার এই শর্ত আমাদের জানিয়েছেন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলছেন,
“কিন্ত যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহকে অন্য যে কোনো কিছুর চাইতে বেশি
ভালোবাসে”। রাসূলুল্লাহ (4) বলেছেন,
“কোনো ব্যক্তি ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ আমি তার কাছে তার পিতামাতা,
সন্তানাদি ও দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় না হবো।”১৭ কাজেই যেটাকে তুমি সফল প্রেম মনে করছো, সেটা আসলে চরম ব্যর্থতা। ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। একজন মানুষ স্বেচ্ছায় নিজেকে মহান আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। হৃদয়ে ঈমানের স্বাদকে নষ্ট করে ফেলছে নিজের হাতেই। একের পর এক BAR জড়াচ্ছে, পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবাধ্য গভীর থেকে আরো গভীরে। কেন? একজন মানুষের জন্য। একজন নশ্বর মানুষের জন্য। যার জন্ম হয়েছেল এক ফোঁটা বীর্য থেকে আর মৃত্যুর পর যার ঠাই হবে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। একজন মানুষ, যে তার শরীরের ভেতরে আবর্জনা বয়ে বেড়ায়। দিন দিন যার বয়স বাড়ে, যার চোখের আলো স্তিমিত হয়ে আসে, চামড়া ঝুলে পড়ে, সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায়। একজন মানুষ, মৃত্যুর পর যার শরীর পচে যায়। মাটির সাথে মিশে যায়। এর জন্য জান্নাতকে পায়ে ঠেলা? আল্লাহর অবাধ্য হওয়া? জাহান্নামের দিকে নিজেকে ছুড়ে দেওয়া? আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা কি জানো? মহান আল্লাহ্ তোমাকে একা থাকতে বলছেন না। তিনি তোমাকে বলছেন না, সব মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, শুধু কষ্টে কষ্টে জীবনটা পার করে দিতে। তুমি পৃথিবীতে ভালোবাসতে পারবে, আনন্দিত হতে পারবে, সুখী হতে পারবে, যৌনতার স্বাদ নিতে পারবে। কোনো কিছুতেই আল্লাহ তোমাকে বাধা দিচ্ছেন না। তোমাকে শুধু কাজগুলো করতে হবে মহান আল্লাহর ঠিক করে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ব্যস! আর তাহলে তুমি আখিরাতের শাস্তি থেকে বাঁচবে, দুনিয়ার জীবনে বারাকাহ্ পাবে এবং সমাজ, পরিবার ও সভ্যতা সমৃদ্ধ হবে। তারপরও মানুষ অবাধ্য হচ্ছে। অসীমকে উপেক্ষা করে সীমিতর পেছনে এ কেমন ছুটে চলা? একে উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু কি বলা যায়? [es] সূরাবক্রাহ, ২২১৬৫
---
টীকা ও তথ্যসূত্র
[২১৮] ইসলামের দৃষ্টিতে প্রেম ভালোবাসা, ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ, দারুস সালাম বাংলাদেশ প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ২৮ [২১৯] যাম্মুল হাওয়া, ইবনুল জাওযী (র.), পৃষ্ঠা ২১৭ [২২১] আদ-দা' ওয়াদ-দাওয়া”, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ), দারু ইবন হাযম প্রকাশনী, ২০১৯ ঈ. পৃ: ৪৮৮ [২২৩] বুখারি: ১৫, মুসলিম: ১৬ (ইফা.)
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনার হোক।
মন্তব্য করতে প্রবেশ করুন — ফিরে আসবেন ঠিক এখানেই।