যদি মন কাঁদে
তোমার একটা মায়াবতী ছিল। সেই মায়াবতীকে হারানোর একটা গল্পও তোমার আছে। নিপুণ নিষ্ঠায় তাকে ভুলে যাবার চেষ্টা করছো। কিন্তু দুগ্কৃতিকারী স্মৃতিগুলো পিছু ছাড়ছে না। মাঝে মাঝেই ওরা হানা দেয়। রাত যতো বাড়তে থাকে ততো বাড়তে থাকে স্মৃতির অত্যাচার। রোমহ্থুনের কপাট যতোই বন্ধ করতে চাও না কেন দরজায় কড়া নাড়ে তারা। এলোমেলো হয়ে গেছো তুমি। তীক্ষ্ম একটা ব্যথা বুকের ভেতরটায় ছুরির মতো গেঁথে আছে। আকাশে রক্তাক্ত ক্ষত নিয়ে এলোমেলো ঘুরে বেড়ায় ঘোলাটে চাঁদ। নিস্তব্ধতা দর্শক হয়ে জানালায় বসে থাকে নির্বাক। এ মানুষটাকে কেন ভুলতে পারছো না, সেই কারণগুলো খুঁজে বের করা তাকে ভূলে যাবার প্রক্রিয়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে সবার আগে যে বিষয়টি আসবে তা হলো একটা লিস্ট করা। ওর যা যা তোমার ভালো লাগে না সবকিছুর একটা লিস্ট করো। যেমন ধরো-
১। সে মাঝে মাঝে সবার সামনে নাকের ভেতর হাত দিয়ে চুলকায়।
২। তার গা থেকে দুর্গন্ধ আসে।
৩। সবার সামনে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে সর্দি ঝাড়ে টিস্যু বা রুমালে।
8 | অতিরিক্ত কথা বলে ... এরকম ছোটখাটো ব্যাপার থেকে শুরু করে তোমাকে প্যারা দিতো, তোমার সাথে ঝগড়া করতো, তোমাকে অশান্তির মধ্যে রাখতো, তোমার সব ব্যাপারে খবরদারি করতো-যা যা তোমার মনে হয় সব কিছু লিস্ট করে রাখো। পাশাপাশি প্রেম যে তোমার জীবনে একটা ক্যান্সারের মতো ছিল, এই প্রেমের পরিণতি কী, আখিরাতে কতোটা শাস্তি পেতে হবে, আল্লাহ অসন্তুষ্ট হবেন, প্রেম না করে পবিত্র থাকলে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে কতোটা পুরস্কার দেবেন, প্রেমের কারণে তুমি জীবনে কী কী হারিয়েছো, তোমার জীবনে আরো কী কী অর্জন করার কথা ছিল, কতো কী করার ছিলো কিন্তু পারোনি- এসবও লিস্ট করে রাখো। যখনই তার কথা মনে হবে, কষ্ট পাবে তখনই এই লিস্টটা বের করে পড়বে, হাতের কাছে লিস্ট না থাকলে মনে করার চেষ্টা করবে। দেখবে, কষ্টের তীব্রতা অনেক কমে গেছে। এটা একেবারে গ্যারান্টিড একটা পদ্ধতি। যে কোনো আসক্তি কাটানোর ক্ষেত্রে
এই পদ্ধতি স্বপ্নে পাওয়া আশ্চর্য' ওষুধের মতো কাজ করে! ইউনিভার্সিটি অফ আ্যালাব্যামার ©. কিম মেয়ার্টয সহ অসংখ্য বিশেষজ্ঞ এমন লিস্ট করতে বলেছে।। ১১ ইবনুল জাওযী (রহ.) তার বিখ্যাত বই যাম্মুল হাওয়াতে উল্লেখ করেছেন, “মানুষের শরীর, তার ভেতরে থাকা ময়লা এবং পোশাকের আড়ালে ঢেকে রাখা দোষক্রুটিগুলোর কথা ভাবলে প্রেমের আকর্ষণ অনেকটা কমে যায়। এ কারণেই বিখ্যাত সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কারো যখন কোনো মহিলাকে ভালো লাগবে, তখন সে যেন তার দৌোষক্রুটির কথা চিন্তা করে৷”! আমেরিকার ভিলানোভা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন গবেষকের করা রিসার্চসহ আরো অনেক গবেষণা থেকে উঠে এসেছে- ব্রেকআপের কষ্ট ভোলার আরেকটি কার্যকরী উপায় হলো ডায়েরি লেখা। ১৭ যে লিস্টের কথা বলা হলো সেটা ডায়েরিতে লিখে ফেলো। পাশাপাশি তোমার অনুভূতি, চিন্তাভাবনা, রিলেশন চলার সময় পাওয়া বিভিন্ন কষ্ট, নিয়মিত একটু একটু করে ডায়েরিতে লিখবে। বুকের ভেতর দলাপাকানো কষ্টগুলো কলমের কালি হয়ে বের হয়ে যাবে। মন হালকা হয়ে যাবে। দিনে ১৫-২০ মিনিট করে ডায়েরি লেখাই যথেষ্ট ইনশাআল্লাহ। কেন তাকে ভুলতে পারছো না শত চেষ্টার পরেও তুমি প্রাক্তনকে ভুলতে পারছো না। এমন অবস্থায় সাধারণ কয়েকটি ব্যাপার কাজ করে।
১। মস্তিষ্কে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়া: আলকেমি লেখায় আমরা বলেছিলাম
প্রেমে পড়লে আমাদের মস্তিষ্কে খুশির হরমোন যেমন ডোপামিন, সেরোটোনিন ইত্যাদি রিলিয হয়ে মাদকের মতো একটা আসক্তি তৈরি করে। ব্রেকআপের ফলে এই হরমোন
রিলিয বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি স্ট্রেস হরমোন তৈরি হয়ে আমাদের কষ্ট দেয়। তাই মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই প্রাক্তনের কথা মনে করিয়ে দেয়, যেন খুশির হরমোনগুলো রিলিয হয়। কিন্তু প্রাক্তনকে যেহেতু বর্তমান বানানো যাবে না, তাই আমাদের খুঁজতে হবে এমন কিছু কাজ যা মস্তিষ্কে এই খুশির হরমোনগুলো রিলিয করবে। তোমার ভালো লাগবে। সুখকর অনুভূতি হবে। ব্রেকআপের কষ্ট ভুলে যাবে। সেই সাথে প্যারা সৃষ্টিকারী হরমোন করোটিসোলকেই প্যারা দিয়ে বিদায় করে দেবে।
ক) ব্যায়াম করা: খুশির হরমোন রিলিয়ের কার্যকরী একটা পদ্ধতি হলো ব্যায়াম করা! তোমাকে জিমে গিয়ে ব্যায়াম করতে হবে এমন না। সকালে দৌড়ানো, বাইরে হাঁটাহাঁটি, পাঁচ-দশটা পুশআপ, একটু জগিং করা, ক্রিকেট ফুটবল খেলা, এগুলোও তোমার মস্তিষ্কে ডোপামিন বাড়াতে কাজে লাগবে। যখনই মন খারাপ লাগবে সঙ্গে সঙ্গে ৫-১০ টা পুশআপ দাও। দেখবে জীবন সুন্দর!'***! তাছাড়া শারীরিকভাবে ফিট থাকা রাসূলুল্লাহ (5) এর সুন্নাহু। আল্লাহ দুর্বল মুমিনের তুলনায় সবল মুমিনকে বেশি ভালোবাসেন। এমনিতেই ব্যায়াম করা উচিত।
খ) সূর্যের আলোতে যাওয়া: ব্রেকআপের কষ্টে দরজা জানালা বন্ধ করে অন্ধকারে ব্রয়লার মুরগির মতো বসে বসে ঝিমালে কষ্ট কমবে না। আরো বাড়বে। সেই সাথে বাড়বে অন্যান্য সমস্যা। Seasonal affective disorder (SAD) নামে একটা অসুখই আছে- শীতকালে সূর্যের দেখা না পেলে মানুষজন মনমরা হয়ে থাকে, কিছু ভালো লাগে না কিছু, হতাশায় ভোগে। সূর্যের আলোর অভাবে দিলখুশ করে দেওয়া হরমোনগুলো রিলিয হতে চায় না। তাই সূর্যের আলোতে প্রতিদিন কিছুটা সময় (অন্তত ২০-৩০ মিনিট) কাটালেও ডোপামিনের প্রবাহ বাড়বে। ভালো লাগবে। oo!
গ) পর্যাপ্ত ঘুম এবং রাত না জাগা: রাতে ভালোমতো না ঘুমালে ডোপামিনের সংবেদনশীলতা কমে যাবে। ডোপামিন সংবেদনশীলতা বলতে বোঝানো হচ্ছে- ধরো আগে ১ প্লেট বিরিয়ানি খেলেই তোমার পেট ভরে যেতো, এখন দু'প্লেটেও হয় না। তো, এমনিতেই তোমার ডোপামিন রিলিয কম হয়, তারপর যেটা হয় সেটাও যদি ঠিকমতো কাজ করতে না পারে তাহলে তো মুশকিল। তাই রাতে ৭-৮ ঘণ্টার একটা ঘুম লাগাও। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠো। সকালে ডোপামিন বেশি মাত্রায় রিলিয
হয়। ডোপামিন ফর্মে ফিরে আনন্দের চার-ছক্কার বন্যা বইয়ে দেবে।*খ
ডোপামিনের সাথে সম্পর্ক যদি না-ও থাকতো, তোমার একেবারেই রাত জাগা উচিত
না। সারাদিন কষ্টেমষ্টে পার করে দিলেও প্রাক্তনের কথা সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে
রাতে। রাতের নির্জনতায়, নিঃসঙ্গতায় মন পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। আত্মহত্যা, মদ
বিড়ি গাঁজা খাওয়া অধিকাংশই হয় এই রাতের বেলা। তাই একেবারেই রাত জাগা
যাবে না।
ঘ) খাবার: বিভিন্ন খাবার আছে যেগুলোর মাধ্যমে খুশির হরমোনগুলো রিলিয করা
যায়। যেমন- মিষ্টিকুমড়া, সয়াবিন, শিম, মটরশুঁটি, শাকসবজি, কলা, আপেল,
তরমুজ, স্ট্রবেরি, পেপে, দুধ, দই, পনিরসহ দুগ্ধজাত সকল খাবার, মুরগি, ডিম, গ্রিন
টি, কফি, মাছ, মাংস, কাঠবাদাম, কাজু কাদাম, বাদাম, চকলেট। বিড়ি, সিগারেট,
গাঁজা না খেয়ে তোমার সামথ্যয অনুসারে এগুলো খেতে Ae)
৬) হাসি: ব্রেকআপের হতাশা, কষ্ট ভুলতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে হাসি। ইবনুল
HST (রহ.) বলেছেন, “হাস্যরসের আলোচনা করলে বিচ্ছেদের কষ্টকমে আসে।”/*০%!
“দি হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি”র “ডিপার্টমেন্ট অফ রিহ্যাবিলিটেশন সায়েন্স*-
এর করা এক গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে, হাসি মস্তিষ্কের খুশির হরমোন
ডোপামিন ও সেরোটনিনের মাত্রা বাড়ায়। হাসার ফলে হতাশা ও উদ্বেগ কমে।'** বন্ধু
বান্ধব, FIRE, বাচ্চা কাচ্চাদের সাথে সময় কাটানো, পশু পাখি বা বাচ্চাকাচ্চাদের
ফানি ভিডিও ক্লিপস দেখা ইত্যাদি নানাভাবে হাসি ঠাট্টা করা যেতে পারে। তবে খেয়াল
রাখবে যেন চোখের হেফাযতে সমস্যা না হয়, আর সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং এর নেশা
যেন পেয়ে না বসে।
খুশির হরমোন বাড়ানোর জন্য যোগ ব্যায়াম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মেডিটেইশন, ইত্যাদির কথা অনেকে বলতে পারে। এগুলো করবে না। এগুলোর ভেতর অনেক জিনিস আছে যা হারাম, অনেক ক্ষেত্রে যা শিরকের পর্যায়ে পৌছে যায়। বিস্তারিত জেনে নাও রেফারেন্সে দেওয়া আর্টিকেলগুলো «eg lee ব্রেকআপের কষ্ট ভোলা এবং হ্যাপি হরমোন রিলিযের আরো একটি ভালো পদ্ধতি আছে। সেটা আসছে পরের পয়েন্টেই।
২। সেক্স: হয়তো প্রাক্তনের সাথে তুমি বিছানা শেয়ার করতে। তার সাথে সেক্স চ্যাট
করতে। হস্তমৈথুন করতে। এককথায় তোমার শরীরের চাহিদা মেটানোর একটা মাধ্যম ছিল সে। ব্রেকআপ হবার পর যখন তোমার শরীরের চাহিদা জেগে উঠছে তখন তাকে কাছে পাচ্ছো না। কিন্তু তার শরীরের ছবি বা তাকে নিয়ে সেক্স ফ্যান্টাসিগুলো তোমার মাথায় গেঁথে আছে। তাই শরীরের চাহিদা জেগে উঠলেই তোমার মাথায় অটোমেটিক্যালি সে চলে আসে। পুরোনো কথাগুলো মনে পড়ে।
EEE পরের হতাশা থেকে, নিজের মনকে ভূলিয়ে রাখার জন্য অনেকে খুব ঘন ঘন পর্ন দেখে, মাস্টারবেট করে। আবার সেই একই লুপে পড়ে যায়। পর্ন দেখার সময় বা মাস্টারবেট করার সময় তার কথা মনে হয়। আরো হতাশা, বিষণ্জতা ঘিরে ধরে। এই চক্র চলতেই থাকে। চক্র ভাঙার জন্য তোমার মাথায় সেক্স ফ্যান্টাসি আসলে সঙ্গে সঙ্গেই তা দূর করে দিতে হবে। একজন মুসলিম হিসেবে এমনিতেই এটা তোমার কর্তব্য। এক মুহূর্তের জন্যেও চিন্তা করা যাবে না তাকে নিয়ে। পর্ন, মাস্টারবেশনের অভ্যাস বাদ দিতে হবে। মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইটা ভালোমতো পড়লে ইনশাআল্লাহ উপকৃত হতে পারবে। আল্লাহর রহমতে অসংখ্য মানুষ এই বই পড়ে উপকৃত 22 |] ব্যায়াম করা, সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া, রোযা রাখা ইত্যাদির পাশাপাশি বিয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো। বিয়ে তোমাকে শরীরের চাহিদা মেটার হালাল উপায় দেবে।
আধুনিক কালের গবেষকেরা বলছে- শারীরিক অন্তরঙ্গতা হতাশা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। কারণ যৌনতার ফলে মন ভালো করে দেওয়া হরমোনগুলো যেমন- ডোপামিন, অক্সিটোসিন ইত্যাদি রিলিয হয়। তাদেরও শত শত বছর পূর্বে এমনটাই বলেছেন ইবনুল জাওযী (রহ.),
“প্রেম রোগের চিকিৎসার মধ্যে একটি হলো অধিক যৌনসঙ্গম। কেননা, অধিক যৌন সঙ্গম শরীরের তাপ কমিয়ে দেয়, আর এই তাপের দ্বারাই প্রেম উর্ধ্বগামী হয়। সুতরাং স্বাভাবিক তাপ নিস্তেজ হলে শরীর শান্ত থাকবে, মন ঠাণ্ডা হবে। এবং প্রেমের আগুন ঝিমিয়ে আসবে।*০৮৷
৩। একাকীত্ব: একটা সময় তোমার দৈনন্দিন জীবনের দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, আক্ষেপগুলো
হয়তো তুমি তার সাথে শেয়ার করতে। এখন বিষয়গুলো কার সাথে শেয়ার করবে, তুমি বুঝতে পারো না। ঘরে ফেরার পর নিঃসঙ্গ, নিস্তব্ধ, ক্লান্ত দুপুরে বা গভীর বিষণ্ন রাতের একাকীত্বে, আক্ষেপের ভারে বারবার তোমার শুধু তার কথা মনে হয়। পুরোনো স্মৃতিগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠে। এমন অবস্থায় করণীয়: ক) সেই লিস্টটা আবার বের করে পড়বে, প্রেম কন্টিনিউ করলে তোমার আখিরাত ও ইহকাল কেমন দুর্বিষহ হয়ে যেতো সেগুলো ভাববে। খ) ধীরস্থিরভাবে অর্থ বুঝে বুঝে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে। কুরআনকে নিজের সঙ্গী বানাবে। কুরআন থেকে দুরে থাকার কারণে তুমি আমি শূন্যতা ও হতাশায় ডুবন্ত। মহান আল্লাহ বলেন, যারা ঈমানদার তাদের জন্য এটি (আল-কুরআন) একটি পথ নির্দেশিকা এবং আরোগ্যদানকারী (নিরাময়)। ১১৭] “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো; নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলগণের সঙ্গে আছেন।”*১] গ) রেগুলার যিকির করবে। দেখবে অন্যরকম শাস্তি A=] | আল্লাহ বলেছেন, “.. আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্ত হয়।''*২ সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার-এর মতো সহজ বাক্যগুলোর মাধ্যমে যিকির ERI! স্রেফ মুখস্থ পড়ার বদলে যিকিরের শব্দ ও বাক্যগুলোর অর্থ জেনে নাও। তারপর ধীরে ধীরে অন্তর থেকে সেগুলো উচ্চারণ করো। অর্থ নিয়ে চিন্তা করো। সকাল সন্ধ্যায় নিরাপত্তার জন্য যে ২৩ আযকার রয়েছে সেগুলো কখনো বাদ দিও tes অর্থ জেনে জেনে বিষয়ভিত্তিক সুন্নাহুসম্মত যিকিরের জন্য ভালো একটা
সোর্স হিসনুল মুসলিম বই ও আ্যাপ। লিংক রেফারেঙ্গে দিয়ে দেওয়া ice! ঘ) ভালো একজন বন্ধু খুঁজে বের করো। সালাত আদায় করে, সুন্নাহ মানার চেষ্টা করে- এমন হলে ভালো হয়। তার সাথে শেয়ার করো তোমার দুঃখকষ্ট আর আক্ষেপের কথা। 8) বাবা-মার সঙ্গে সময় কাটালে ব্রেইনে ডোপামিন রিলিয =e বাবা-মা, ভাইবোনদের সাথে বেশি বেশি করে সময় কাটাও। দেখো কতো ভালোবাসা নিয়ে বসে আছেন তাঁরা তোমার জন্য। বাসা থেকে দূরে থাকলে ফোনে কথা বলো। গার্লফ্রেন্ড- বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে তো অনেক বাইরে ঘুরাঘুরি করেছো, অনেক ফুচকা খেয়েছে, এবার মাকে নিয়ে একটু ঘুরো। মোড়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ফুচকা খাও, বাবাকে বাইকের পেছনে বসিয়ে ঘুরো, ফ্যামিলির সাথে ট্যুর দাও... তারা যে কী পরিমাণ খুশি হবে, তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য অনেক কিছু করেও তুমি তার মন পাওনি, অথচ তুমি অবাক হয়ে আবিষ্কার করবে বাবা-মা, ভাইবোনের জন্য তোমার করা ছোট ছোট কাজেই তারা কতোটা খুশি হবেন! চ) আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখো। তাঁর উপর ভরসা রাখো। এই একাকীত্ব, শূন্যতা দূর হয়ে যাবে। আল্লাহ্ দেখছেন তোমার কষ্ট। আল্লাহ্ সহজ করে দেবেন ইনশাআল্লাহ। এই বন্দীত্ব থেকে, অদৃশ্য এই কারাগার থেকে খুব শীঘ্রই তুমি মুক্তি পাবে। এইতো সামনেই পাখিরা আবার আকাশে উড়বে। পড়তে পারো শাইখ ইয়াদ কুনাইবির আল্লাহর প্রতি সুধারণা বইটি, এছাড়া আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল, নবীজির পদাস্ক অনুসরণ বইগুলোও পড়া যেতে পারে। পাশাপাশি এই বইয়ের হারিয়ে পাওয়া লেখাটা আবার পড়ো ইন শা আল্লাহ। ছ) আত্মমর্যাদাশীল, হকপন্থী আলিম- যারা আধুনিকতার নামে সাহাবী এবং ক্ল্যাসিকাল স্কলারদের মতামত উপেক্ষা করে নিজেদের মনমতো ইসলামের ব্যাখ্যা করেন না, দ্বীনের ব্যাপারে যারা আপসকামিতায় ভোগেন না- তাদের লেকচার শোনো। নবী- রাসূল, সাহাবীদের জীবনী, পরকাল, জান্নাত, জাহান্নাম, দুনিয়ার ধোঁকা এই বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য দাও। রাতের সালাত আদায় FRI রাতের গহীনে যখন সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে তখন ঘুম থেকে ওঠো। ঘরের সব বাতি নিভিয়ে দিয়ে একান্তে আল্লাহর সামনে দাঁড়াও। ইনশা আল্লাহ্ তোমাকে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে নিরাপত্তা প্রদান করবে।
তোমার মন খারাপ, দুঃখ কষ্ট সব পালিয়ে যাবে। “নিশ্চয়ই ইবাদাতের জন্য রাতে উঠা প্রবৃত্তি দমনে সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণে অনুকূল | গ্ত১৮] জ) অন্য মানুষের দুঃখ-কষ্ট সম্পর্কে জানো, তাদের সাহায্য করো। দুঃখ দূর করার চেষ্টা করো। আল্লাহও তোমার দুঃখ দূর করে দেবেন। রাসূল (৯) বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তার প্রতি দয়া করেন, যে তার বান্দাদের প্রতি দয়া Fea) “আল্লাহ তা'আলা বান্দার সাহায্যে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ সে অপর ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।”* অন্যকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে তোমার মূল উদ্দেশ্য হবে আল্লাহর সনম্ভষ্টি অর্জন ও দয়া লাভ। পাশাপাশি এই বিষয়টাও জেনে রাখো- যখন তুমি অন্য মানুষকে সাহায্য করবে তখন তোমার মস্তিষ্কে খুশির হরমোনগুলো রিলিয হবে এবং স্ট্রেস হরমোন করটিসোলের প্রবাহ কমে AE |) 81 মজার স্মৃতি: অতীতে তার সাথে তোমার বেশ কিছু স্মৃতি রয়েছে। বিশেষ করে রিলেশনের প্রথম সময়গুলোর মজার সুখের আনন্দের স্মৃতি। ব্রেকআপের পরে কোনো কারণে জীবনে জটিলতা নেমে আসলে অবধারিতভাবে অতীতের সুখের স্মৃতি বেশি বেশি মনে পড়ে। মনে হয় সে ছিল তাই জীবনটা রঙিন ছিল। সে নেই তাই জীবনটা রং হারিয়ে ফেলেছে। তাকে আবার ফিরে পেলে অভিমান ভেঙে ফিরে আসবে জীবনের সব রং। এমন ক্ষেত্রে করণীয়: ক) কেন তুমি ব্রেকআপ করেছো মনে করে দেখো। তুমি আল্লাহকে খুশি করার জন্যে, তাঁর শাস্তি থেকে বাঁচতে গুনাহ থেকে ফিরে এসেছো। কেন তুমি আবার গুনাহে ফিরে যাবে? খ) সেই লিস্টটার উপর আবারো চোখ বুলাও। কাজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। গ) সে ফিরে আসলে তোমার সাদাকালো হয়ে যাওয়া জীবনে আবার রং ফিরে আসবে-এই কথার ভিত্তি কী? কীভাবে তুমি নিশ্চিত হলে? তোমার কাছে কী প্রমাণ আছে? বরং সে ফিরে আসলে তোমার জীবন আরো তেজপাতা হয়ে যাবার আশঙ্কা আছে। ঘ) রিলেশনের প্রথম সময়গুলো মোহের কারণে মজার হয়। কিন্তু কিছুটা সময়
গেলেই জীবন বিষিয়ে যায়। বইয়ের শুরুতে বিস্তারিত আলোচনা আছে। আবার পড়ে নাও।
৬) জান্নাতের কথা চিন্তা করো। জান্নাতে তুমি কীভাবে মজা করবে, কী কী করবে, এনিয়ে প্ল্যান করো। যেমন ধরো আমার ইচ্ছা হলো জান্নাতে ঢুকে রেশমের বালিশে হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে বসবো। একপাশে থরে থরে থাকবে মাল্টা, অন্যপাশে ঝুলবে থোকা থোকা আঙুর। আহ! দুনিয়ার এই মজা একেবারেই ক্ষণিকের। জান্নাতের জীবনের কোনো শেষ নেই, বারবার এ সত্যটা নিজেকে মনে করিয়ে দেবে। জান্নাত নিয়ে প্রতিদিন যদি ১০- ১৫ মিনিট করেও ভাবো, তাহলে প্রাক্তনের কষ্ট একেবারে রকেটের গতিতে ভুলে যাবে।
৫। সিনেমা, সিরিজ, নাটক, মিউষিক, প্রেমের উপন্যাস: এগুলো সম্ভবত প্রাক্তনকে
ভুলতে না পারার টপ থি কারণের মধ্যে একটা। এসব দেখলে, শুনলে, পড়লে, ক্ষণিকের ভালোলাগা কাজ করবে। কিন্তু তারপর তুমি তাকে মিস করতে শুরু করবে, তোমার প্রেমকাহিনীর সাথে মেলানোর চেষ্টা করবে এবং ভুলতে পারবে না ওকে।*১ এগুলোকে একেবারেই জীবন থেকে বিদায় করে দাও। কুরআন তিলাওয়াত শুনো, তিলাওয়াত করো, ইসলামি নাশীদ শুনো, লেকচার শুনো, উপকারী বিভিন্ন ডকুমেন্টারি দেখো, বইপত্র পড়ো।
৬। ওর কথা মনে পড়ে এমন জিনিস বিদায় করো নি: বিদায় বলে দাও লেখাতে বলা
হয়েছিল, ওর কথা মনে করে দেয় এমন সবকিছু তোমার জীবন থেকে সরাতে হবে। ওর দেওয়া গিফট, ওর ফেইসবুক আইডি, চিঠি, মেসেজ সব তোমার জীবন থেকে বিদায় করতে হবে। এটা না হলে এগুলো তোমাকে তার কথা মনে করিয়ে দেবে। এগুলো সব থেকে নিজেকে মুক্ত করে ফেলো। অন্য আইডি থেকেও তার টাইমলাইনে ঘুরাঘুরি করা যাবে না। সামাজিক মনস্তত্ত্বের অধ্যাপক ©. টারা মার্শাল গবেষণা করে বলছেন, “ফেইসবুকে প্রাক্তনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে গেলে বা তার খোঁজখবর রাখলে ব্রেকআপের কষ্ট সামলানো, প্রাক্তনকে ভোলার পথে বাধা হয়ে Aor |] যতটুকু সম্ভব প্রেম করার এঁ গলি, রাস্তা, ফুটপাত, গাছতলা, নদীর ধার, পুকুর পাড়, পার্কের বেঞ্চি, ফাস্ট ফুড বা কফিশপের দোকানগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। একান্তই
এড়াতে না পারলে আল্লাহর কাছে নিজের মন ও চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করার সাহায্য চাও। ভুলেও ভ্যালেন্টাইন ডে, নববর্ষ, নিউ ইয়ার বা এমন যতো দিন আছে এসব দিনে কাজ না থাকলে বাইরে বের হবে না, কাপলদের আড্ডাখানায় যাবে না, ক্লাস শেষেই চলে আসবে।
৭। ফ্রেন্ড সার্কেল: ওরা ঠিকই কথায় কথায় তোমার প্রেমিক-প্রেমিকার কথা তুলবে।
কথা শুনবে আর ভেতরে ভেতরে তুমি কষ্টে দগ্ধ হবে। তাকে ভুলতে পারবে না। এই রিলেশনের ব্যাপারে যারা জানতো তাদের সবাইকে জানিয়ে দাও তোমার পরিবর্তনের কথা। যাতে আর কেউ কখনো দেখা হলে বা কথা প্রসঙ্গে অতীতের জাহিলিয়াতের কথা মনে করিয়ে না দেয়। দরকার হলে ফ্রেন্ড সার্কেলের পরিধি ছোট করে নিয়ে আসো।
ব্রেকআপের পর বন্ধুদের কাছ থেকে মানসিক সাপোর্ট নেবার ব্যাপারেও একটু সতর্ক থাকতে হবে। দেখা যাবে যে- অনেকেই তোমাকে গান, সিনেমা, নাটক, মদ- বিড়ি-গাঁজা-বাবা ধরিয়ে দেবে। প্রাক্তনের উপর প্রতিশোধ নেবার বুদ্ধি দেবে বা এই ব্রেকআপের কষ্ট ভুলার জন্য আবার অন্য একটা প্রেম করার পরামর্শ দেবে। মানুষের উপর তার বন্ধুর প্রভাব পড়ে। তোমার বন্ধু যদি হারামে ডুবে থাকে, তাহলে সে তোমাকেও হারামের দিকে টেনে নিয়ে যাবে। আল্লাহর কাছে দু'আ করো যেন তিনি এমন বন্ধু বা সাথী জুটিয়ে দেন যে তোমাকে আল্লাহর আনুগত্যে সাহায্য করবে, হারাম থেকে তোমাকে দূরে রাখতে চেষ্টা করবে।
৮। শূন্যতা ও অবসর: একাকী অবসরের মুহূর্তগুলো ফ্ল্যাশব্যাক করাবে অতীতের
দিনগুলোর কথা। শয়তানের সবচেয়ে বড় ফাঁদ হলো এই একাকী কাটানো বেকার সময়গুলো। সাবধান! ফাঁদে পা দিও না। সিনেমা, নাটক, সিরিয়াল না দেখে, ইউটিউবে একটার পর একটা ভিডিও না দেখে নিজেকে কোনো না কোনো প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যস্তরাখো। আখিরাত নিয়ে ভাবো, যে টিপসগুলো দেওয়া হচ্ছে সেগুলো অনুসরণের চেষ্টা করো। অবসরই রাখবে না। ইসলামী বই পড়ো, নিজেকে ব্যস্ত করে ফেলো। টিউশনি করো, টাকা কামানোর চেষ্টা করো, স্কিল বাড়াও, ব্যায়াম করো, রান্নাবান্না শেখো, ঘরের কাজ শেখো, নতুন কোন ভাষা শেখো, ড্রাইভিং শেখো, রাসূলুল্লাহ (#) এর জীবনী, সাহাবীদের জীবনী পড়ো, কুরআনের অনুবাদ পড়ে ফেলো। মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইয়েরতবু হেমন্ত এলে অবসর পাওয়া যাবে এই আর্টিকেল পড়ো |=] অবসর সময়কে কীভাবে কাজে লাগানো দরকার তা নিয়ে বেশ ভালো ধারণা হবে, ইনশা আল্লাহ।
নিজেকে মানুষজনের কাছ থেকে গুটিয়ে নেবে না। একাকী থাকবে না। শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখতে হবে, ফুরফুরে রাখতে হবে, কোনোভাবেই যেন Kags! পেয়ে না বসে। মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করলে মন ফ্রেশ হয়ে যাবে। মাঠে গিয়ে খেলাধুলা, সমাজসেবামূলক কাজে সাহায্য করা, বাগান করা, বিড়াল, পাখি, খরগোশ পোষা মানে অন্য কোনো হবিতে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। সপ্তাহে একদিন কোথাও থেকে ঘুরে এসো। যেন ওইসব ছাইপাঁশ প্রেমের স্মৃতি তোমার আশেপাশেও ভিড়তে না পারে। ইবনুল GIST (রহ.)র প্রেমের কষ্ট ভোলানোর জন্য যে পদ্ধতিগুলো বাতলে দিয়েছেন তাদের মধ্যে কিছু হলো- ঘুরে বেড়ানো, ঘুমানো, জীবিকার জন্য ব্যস্ত হওয়া, শরীর ঠাণ্ডা রাখা, গোসল করা, রোগীদের দেখতে যাওয়া, মৃতদের জানাজা ও কাফন দাফনে অংশ নেওয়া, কবরস্থান দেখতে যাওয়া, মৃতদের দেখা, মৃত্যু ও তার পরের অবস্থাগুলোর কথা চিন্তা করা প্রভৃতি। তাঁর মতে, এসব কাজ কামনাবাসনার আগুন নিভিয়ে দেয়। অন্যদিকে গান বাজনা তা বাড়িয়ে দেয়। এমনইভাবে আল্লাহর যিকিরের মজলিস, দুনিয়াবিমুখ মানুষদের সাহচর্য, পুণ্যবান মানুষদের জীবনী ও ওয়াজ নসিহতের দ্বারাও প্রেমের প্রতিকার পাওয়া IRI অবসর সময়ে এগুলো করে ফেলতে পারো।
৯। প্রতিশোধ: প্রাক্তনকে ভুলতে না পারার অন্যতম একটি কারণ হলো ব্রেকআপের
পর অনেককে প্রতিশোধের নেশায় পেয়ে বসে। প্রতিশোধ নেবার চিন্তা দিনরাত প্রতিটি ক্ষণে তোমার মস্তিষ্কে তার চিন্তাকে জাগিয়ে রাখবে।
প্রতিশোধ নেবার চিন্তা মাথা থেকে একেবারেই ঝেড়ে ফেলতে হবে। এভাবে অন্য একজন মানুষের এবং তার পরিবারের ক্ষতি করা গুনাহ। এটা আল্লাহর অবাধ্য হওয়া। জেনে বুঝে এমন অবাধ্যতা করার সুযোগ নেই। এর পক্ষে কোনো অজুহাত দেওয়ারও সুযোগ নেই। প্রতিশোধ নেওয়ার অংশ হিসেবে যে কাজগুলো করতে হবে নিশ্চিতভাবেই তার অনেক কিছু হারাম। তুমি কেন হারাম কাজ করবে? আরেকজনের ক্ষতি করতে গিয়ে নিজের আখিরাত বরবাদ করবে? দুটো ভুল দিয়ে একটা শুদ্ধ হয় না। মাইনাসে মাইনাসে প্লীস শুধু SEA জগতে হয়, বাস্তবে হয় না।
যে উপায়গুলোর মাধ্যমে তাকে কষ্ট দিতে চাচ্ছে তা কি শুধু তাকেই কষ্ট দিচ্ছে? নাকি তার বাবা মা, তার ভাই বোন, স্বামী-স্ত্রী, পরিবার বা আত্মীয়স্বজনেরও ক্ষতির কারণ হচ্ছে? তাদের কী দোষ? তাছাড়া তুমি তোমার নিজের জন্যেও কবর খুঁড়ছো। নিজের জীবন, নিজের পরিবারকে শেষ করে দিচ্ছে সামাজিক ও পুলিশি ঝামেলায় পড়াশোনা, ক্যারিয়ার, মানসম্মানের বারোটা বাজাচ্ছে। ছাড়ো এই প্রতিশোধ
প্রতিশোধ খেলা। এই খেলার সবটুকু লেভেল কমপ্লিট করলেও তুমি কখনো শাস্তি পাবে না। তৃপ্তি পাবে না।
যা হবার হয়ে গেছে। মেনে নাও। নিজের এবং অন্যের জীবন নষ্ট না করে জীবন গড়ো। হাইলি কোয়ালিফাইড, স্কিনল্ড একজন মানুষ হও। ভীরুতা কাপুরুষতাকে গুলি মেরে আল্লাহর প্রকৃত দাস হয়ে যাও। সাহসী, চরিত্রবান, সং, পরোপকারী, সমাজ এবং জাতির প্রতি দায়িত্বশীল একজন মানুষ হবার চেষ্টা করো।
উপরের পয়েন্টগুলো ছাড়াও- ওর পেছনে লেগে থাকলে ও আবার আমার কাছে ফিরে আসবে, ব্রেকআপ মেনে নিলাম কিন্তু আমরা শ্রেফ বন্ধু হয়ে থাকি -এসব চিন্তাভাবনাও প্রাক্তনকে ভুলতে না পারার পেছনের কারণ হিসেবে বেশ ভূমিকা রাখে।
এতক্ষণ যা যা আলোচনা করা হলো, সেগুলো প্রাক্তনকে ভুলতে না পারার পেছনের মূখ্য কারণ। এই কারণগুলোর সাথে সরাসরি তুমি জড়িত। কিন্তু এর বাইরেও প্রেমের ফাঁদ থেকে বের না হবার পরোক্ষ কিছু কারণ আছে যেগুলোতে তুমি সরাসরিভাবে জড়িত না। যেমন:
S| ব্রেকআপের পরে আবার নতুন করে প্রেমে পড়ার ফাঁদ: প্রথমবার প্রেমে পড়ে রিলেশন করাটা অনেকের জন্য কষ্টকর হলেও বা সময় লাগলেও, পরের প্রেমগুলোর ক্ষেত্রে খুব একটা সময় বা পরিশ্রম লাগে না। একেবারে সিরিয আকারে প্রেমলীলা চলতে থাকে। বিশেষ করে ব্রেকআপের পর। এর কারণ কী? অনেকগুলো কারণ আছে-
"FER পর একাকীত্ব সহ্য করতে না পারা, গাঞ্জুট্রি, হিরোইঞ্চির মতো প্রেমের নেশায় পড়ে যাওয়া। প্রেম ছাড়া নিজেকে পঙ্গু মনে হওয়া।
" ব্রেকআপ হবার বা ঠিক এর পরের সময়টাতে “তুমিহীনতায়” যে শূন্যতা কাজ করে সেই শূন্যতা পূরণের জন্য বিপরীত লিঙ্গের কাছ থেকে মেন্টাল সাপোর্ট নেওয়া।
" প্রাক্তনের উপর প্রতিশোধ নেওয়া বা প্রাক্তনের মনে ঈর্ষা জাগানোর জন্য একটার পর একটা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া।
" শরীরের চাহিদা পূরণ (সেক্স)
দেখো, তুমি তো আল্লাহর জন্য, আল্লাহকে ভালোবেসে, তাঁর অসন্ভষ্টির ভয়ে, প্রেম থেকে দূরে সরে এসেছো। আবার কেন অন্ধকারের জীবনটাতে ফেরত যেতে চাচ্ছে? জাহান্নামের পথ ধরছো? আল্লাহর সন্তুষ্টির চাইতে, জান্নাতের চাইতে তোমার কাছে ক্ষণিকের এই ডোপামিনের নেশা বেশি হয়ে গেল? প্রেমের কারণে এতোটা কষ্ট পেলে তুমি, এতোটা অশ্রু ঝরলো তোমার চোখে... তারপরও কেন আবার সেই প্রেমের
ফাঁদেই পা দেওয়া? বিয়ে করার চেষ্টা করা, আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করা, যিকির করা, বাবা-মা'র সাথে সময় কাটানো ইত্যাদি নানা পদ্ধতি বাতলে দেওয়া হয়েছে৷ সেগুলো পড়ে নাও। মেন্টাল সাপোর্ট এর জন্য কখনোই বিপরীত লিঙ্গের কাছে যাবে না। ওরা তোমাকে হেল্প তো করতে পারবেই না, উল্টো আবার মরণফাঁদে পড়ে যাবে। খুব ভালো হয় একজন দ্বীনদার মনোবিদের কাছে যেতে পারলে। না পারলে তোমার বন্ধু (মেয়েদের ক্ষেত্রে বান্ধবী), বড় ভাই, FIRE, নিকটাত্মীয় এবং এলাকার মধ্যে মুরুববীস্থানীয় কেউ (যাদের সাথে তুমি ফ্রি, যারা সং, যারা তোমার ভালো চায়), তোমার ফেভারিট স্যার (মেয়েদের জন্য ম্যাডাম), আলেম-উলামার কাছে যেতে পারো। চাইলে আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারো। ১১
২। মাঝে মাঝে তার সাথে দেখা: প্রাক্তনকে ভুলতে না পারার পেছনে বেশ ভূমিকা
রাখে। সারাদিন চোখের সামনে থাকে। পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দেয়। এমন অবস্থায় যে ভুল কাজ তোমরা করো- ছ্যাঁকা বিশেষজ্ঞ বাপ্পারাজের মতো বিরহে ভূগো, কান্নাকাটি করো, হা-ছতাশ করো, আফসোস করো, কষ্ট পাও, নষ্ট হও, একটা চক্রের মধ্যে ঘুরপাক খাও... এমন ক্ষেত্রে যা করতে হবে: | যা হবার হয়ে গেছে, তাকে নিয়ে আর নতুন কোনো স্বপ্ন দেখবে না। এগুলো স্রেফ সময় নষ্ট, জীবন নষ্ট- কথাগুলো বারবার নিজেকে মনে করিয়ে দেবে।
খ। সে যদি আবার ফিরেও আসে, তাহলে তোমার জীবনকে সে নিয়ন্ত্রণ করবে। আবার প্রেম করলে তুমি আবার গুনাহতে জড়াবে, জাহান্নামের জ্বালানি হবে- যখনই তার কথা মনে হবে এই ব্যাপারগুলো নিয়ে ভাববে। তার দোষগুলার কথা মনে করবে, বিভিন্ন সময় তার দেওয়া প্যারাগুলোর কথা চিন্তা করবে। সে স্পেশাল কেউ ছিল না, সমাজের আর দশটা মানুষের মতোই সাধারণ মানুষ সে।
গ। চোখের আড়াল মানেই মনের আড়াল। কঠোরভাবে দৃষ্টির হিফাযত করো। যদি সুযোগ থাকে (এবং খুব বেশি সমস্যা না হয়) তাহলে অন্য জায়গায় মুভ করো।
ঘ। একটু মন খারাপ হওয়া অস্বাভাবিক কিছু না। তবে এই মন খারাপকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে। নিজেকে আরো ম্যাচিউরড, আরো Fee করে তুলবে, প্রকৃত একজন মানুষ হবে। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায় করবে-আল্লাহ্ তোমাকে একজন DHT! মানুষ থেকে, পাপ করা থেকে মুক্তি দিয়েছেন।
৩। স্বপ্ন: অনেকের ক্ষেত্রেই প্রাক্তনকে ভুলতে না পারার পেছনে স্বপ্নের ভূমিকা থাকে।
হঠাৎ করেই প্রাক্তন স্বপ্নে চলে আসে। পুরোনো প্রেম জাগিয়ে দেয়। এরকম অবস্থায় নিজেকে সামলানো খুব কঠিন হয়ে যায়। সমস্ত প্রতিরোধ ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে যায়। বেশিরভাগ প্রেমিক-প্রেমিকাই এমন অবস্থায় নিজের আত্মসম্মান নষ্ট করে, একটা গ্রেট ল্যারের মতো আবার যোগাযোগ করে বসে প্রাক্তনের সঙ্গে। এতোদিনে ব্রেইনের যে হরমোনের ভারসাম্য ফিরে এসেছিল তা নিমিষেই নষ্ট করে ফেলে। নতুন করে কষ্ট পেয়ে নষ্ট হবার গল্প লেখা শুরু করে। করণীয়: ক। কোনোভাবেই তার সাথে যোগাযোগ করবে না। একটা মেসেজও দেবে না কখনো। খ। নিজের সাথে বারবার যুদ্ধ করবে। নিজেকে প্রশ্ন করবে- আমি কেন আল্লাহর অবাধ্য হবো? যে রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত জাহান্নামের পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি আমি, সেই পথে আবার কেন ফিরে যাবো? কেন করবো এই আত্মঘাতী কর্মকাণ্ড? গ। স্বপ্ন দেখার সঙ্গে সঙ্গে তুমি সেই লিস্টটা খুলে বসো, ডায়েরির পাতাগুলো উল্টাতে থাকো, বইয়ে যে ক্ষতিগুলোর কথা আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো মনে করো। আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে সাহায্য চাও। 8 | হতাশা: ব্রেকআপ করার সময় অনেক সময় হতাশা জেঁকে বসতে পারে। ইচ্ছে হতে পারে হাল ছেড়ে দেওয়ার। তোমার হতাশাকে ব্যবহার করে শয়তান তোমাকে আবার আগের পথে ফেরত নেওয়ার চেষ্টা চালাবে। মনে রাখবে, তুমি সত্যিকারভাবে না চাইলে, কেউ তোমার জীবন গুছিয়ে দিতে পারবে না। তোমার সমস্যার সমাধান অন্য কেউ এসে করে দিতে পারবে না। দুনিয়ার ইতিহাসে কোটি কোটি মানুষ একা একাই নিজের জীবনকে মেরামত করে ফেলেছে। তুমি মহাজাগতিক এলিয়েন না। তুমি মাটির মানুষ। তুমি পারবে। চাইলেই পারবে। হাজার চেষ্টা করি, কিন্তু পারি না- এটা FF একটা অজুহাত। কোনো HE, অপরিবর্তনীয় বাস্তবতা না। এটা লুযারদের কথা। রিয়্যাক্তিভ আচরণ। তুমি তাকে ভুলতে চাচ্ছে না অথবা তাকে ভোলার জন্য যে কষ্টটুকু করতে হবে তা সহ্য করতে চাচ্ছে না- এটাই হলো বাস্তবতা।
তার সাথে যোগাযোগ না করলে কী হবে?
-অনেক কষ্ট হবে। অনেক খারাপ লাগবে।
ওকে, তারপর কী হবে?
-কী আর হবে, অনেক কষ্ট হবে। তো এই কষ্টগুলো মেনে নিয়ে, ধৈর্য ধরে কিছুদিন পার করে দাও। সময়ের সাথে সাথেই সব ঠিক হয়ে যায়। খুব দ্রুতই কেটে যাবে এই মোহ যেটাকে তুমি ভালোবাসা
মনে করছে৷। ব্রেকআপ করে ফেলার পর অপর পক্ষ (যে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চায়) কয়েকটা স্টেইজের মধ্য দিয়ে যায়:
১) কেন ব্রেকআপ হলো পাগলের মতো এটার উত্তর খুঁজে বেড়ানো।
২) উত্তর পাবার পর সেগুলোকে প্রত্যাখ্যান করা। ব্রেকআপ যে হয়েছে এটাই
অস্বীকার করা।
৩) বুঝতে পারা যে আসলেই ব্রেকআপ হয়েছে। তাই গভীর কষ্ট, দুঃখ পাওয়া।
8) প্রাক্তনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা।
৫) প্রাক্তন ফিরে না আসায় তার প্রতি গভীর ক্রোধ জন্ম নেওয়া, প্রতিশোধ নেবার
চেষ্টা করা।
৬) সব কিছু মেনে নেওয়া, স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ aif |e] ১ থেকে ৬ এ যাওয়া, মানে ব্রেকআপের শুরু থেকে সবকিছু স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে যাবার মধ্যে সময় লাগে গড়ে তিন মাসের মতো। অধিকাংশ ছ্যাঁকা খাওয়া মানুষের এর মধ্যেই ৬ নম্বর স্টেইজে চলে আসে। তিনটা মাস একটু কষ্ট করতে পারবে না?।*১! এতোটাই দুর্বল মানুষ তুমি? তুমি তাকে ভুলতে পারছে! না- ব্যাপারটা এমন না। তুমি আসলে তাকে ভুলতে চাচ্ছে! না। এটা সম্পূর্ণ তোমার নিজের সিদ্ধান্ত।
“আল্লাহ্ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো কাজ চাপিয়ে দেন 71 Le!
মানুষ ধরেই নেয়, জীবনের অন্য সব বিষয়ে সে ভুল করতে পারে কিন্তু প্রেমের ক্ষেত্রে তার কোনো ভুল নেই। সে একটা ভুল মানুষকে বেছে নিয়েছিল বা ভুল কাজ করেছে, এটা মানতেই চায় না। মেনে নাও- তুমি ভুল করেছিলে। তাকে থিরে তোমার যে রুটিন তৈরি হয়েছিল সেটা বদলে ফেলো। প্রোডাক্টিভ হও। ম্যাচিউর হও। এভাবে চিন্তা করো যে, সে তোমার জীবনে একজন মানুষ হিসেবে ছিল। প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে না, স্ত্রী বা স্বামী হিসেবে না। জাস্ট একজন মানুষ হিসেবে ছিল। জীবনে অনেক মানুষ আসে। অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়, আবার তারা জীবন থেকে চলেও যায়। এমন একজন মানুষ হিসেবে গ্রহণ করে নাও তাকে। তুমি তাকে কিনে নাওনি, সে তোমার দাস নয়। সে চলে যেতেই পারে।
তাকে হয়তো ১০০% ভুলতে পারবে না। থমকে যাওয়া কোনো গ্রীষ্মের বিকেলে কিংবা গভীর হাওয়ার রাতে হঠাৎ মনে পড়তে পারে তার কথা- স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে নাও। একসময় সে তোমার জীবনে ছিল, ছোট্টবেলার হারিয়ে যাওয়া সময়টার মতো এখন আর সেও নেই-এ কথাটা সহজভাবে নাও। সে এখন অতীত। তোমার ভুলগুলোর কথা ভাবো- তুমি কতো ছেলেমানুষ ছিলে, কতো পাগলামি করেছো। মানুষ তার পিতামাতা, এমনকি সন্তানের মৃত্যুর স্মৃতিও বুকে নিয়ে বেঁচে থাকে। আর তুমি প্রাক্তনের স্মৃতি নিয়ে জীবন পার করতে পারবে না? এটা কোনো কথা? সে চলে গেছে মানে তোমার জীবন শেষ হয়ে যায়নি। জীবনের একটা অধ্যায় শেষ হয়েছে মাত্র। জীবন এর পরেও সুন্দর, সম্ভাবনাময়। জীবনে পরতে পরতে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে রেখে তোমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কখনো ধৈর্যহারা হবে না, কখনো ভাববে না 'আমি পারবো না”। গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে যাও, দেখবে আল্লাহ সাহায্য করবেন। দুনিয়া তো আমাদের জন্য কারাগার। এখানে পদে পদে পরীক্ষা থাকবে, কষ্ট থাকবে, না পাওয়ার বেদনা থাকবে। আল্লাহর জন্য, তাঁকে ভালোবেসে, তাঁর সন্ভষ্টির আশায় এগুলো মেনে নাও। আল্লাহর সন্তুষ্টি মানেই তো জান্নাত। সব না-পাওয়ার আবদার না হয় জান্নাতে গিয়েই করলে। জাহান্নাম থেকে একেবারে শেষে যে মুসলিম ব্যক্তি বের হবেন, সাজাভোগ শেষে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর সময় আল্লাহ্ বলবেন, Bel’ সে চাইতে থাকবে। কিছু চাইতে ভূলে গেলে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে বিভিন্ন জিনিসের কথা স্মরণ করিয়ে দেবেন! আর বলবেন, “এটা চাও, ওটা চাও।” এভাবে আল্লাহ তাকে স্মরণ করাতে থাকবেন, আর লোকটি চাইতে থাকবে। অবশেষে চাওয়ার আর কিছুই থাকবে না। তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন,
“তোমার সব ইচ্ছা পূর্ণ করা হলো। তার সাথে আরো দশগুণ (তোমাকে দেওয়া
eel) [teed অপূর্ণতায়, নষ্ট কষ্টে কয়েকটা দিন না হয় যাক, জান্নাতের প্রথম পদক্ষেপই তো বৈশাখী ঝড়ো হাওয়ার মতো ভাসিয়ে নিয়ে যাবে সকল দুঃখ, ভূলিয়ে দেবে সকল অপ্রাপ্তির বেদনা। তাই না?
---
টীকা ও তথ্যসূত্র
[২৯৬] Surviving A Relationship Break-Up-Top 20 Strategies,Dr. Kim Maertz,Mental Health Centre, University of Alberta- tinyurl.com/cwctzh8b [২৯৭] যাম্মুল হাওয়া / veo [২৯৮] Slotter, E. B., & Ward, D. E. (2015). Finding the silver lining: The relative roles of redemptive narratives and cognitive reappraisal in individuals’ emotional distress after the end of a romantic relationship. Journal of Social and Personal Relationships, 32(6), 737-756. https://doi.org/10.1177/0265407514546978 The First Thing You Should Do After a Breakup For Your Heart’s Sake,popsugar. com, July 20, 2017-tinyurl.com/2veh26hr Lewandowski Jr, Gary. (2009). Promoting positive emotions following relationship dissolution through writing. The Journal of Positive Psychology. 4. 21-31. 10.1080/17439760802068480. [২৯৯] 54 Factors that May Increase Dopamine, Biljana Novkovic, PhD, selfhacked. com, August 24, 2022- tinyurl.com/yj9hjeuv [৩০০] কী কী ব্যায়াম করবে, কিভাবে করবে, এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পাবে ষোলো ম্যাগাজিনের এই লেখায়, ষোলো ফেইসবুক পোস্ট, মার্চ ২৫,২০২২- tinyurl.com/sholobeyam [wos] Seasonal Depressive Disorder,National Library of Medicine National Center for Biotechnology Information- tinyurl.com/mr24j3rc [৩০২] 10 Best Ways to Increase Dopamine Levels Naturally, healthline.com- tinyurl.com/nbh96wp5 [৩০৩] Dopamine: The pathway to pleasure, Harvard Health Publishing Harvard Medical School, July 20, 2021- tinyurl.com/3zaj6whr 54 Factors that May Increase Dopamine, Biljana Novkovic, PhD,selfhacked. com,August 24, 2022- tinyurl.com/yj9hjeuv How to increase dopamine levels and feel like your best self,insider.com, Oct 23, 2020- tinyurl.com/yjhf9cut দেহের ভেতরেই রয়েছে খুশী থাকার পন্থা, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, জুন ১৪,২০২১- tinyurl.com/3ubxbr82 [ ০ 8] ইসলামে প্রেম ভালোবাসা, ইবনুল GIS রহিমাহুল্লাহ,দারুস সালাম বাংলাদেশ প্রকাশনী, [ee i ০৫] দেহের ভেতরেই রয়েছে খুশী থাকার পন্থা, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, জুন ১৪,২০২১- tinyurl.com/3ubxbr82 [৩০৬] ছেলেদের জন্য ছেলে কাযিন, মেয়েদের জন্য মেয়ে কাযিন [৩০৭] What Is the Ruling on Yoga?IslamQA- tinyurl.com/39e9rewh কোয়ান্টাম মেথড : মেডিটেশন : যোগ ব্যায়াম : ইসলাম কী বলে? শাঈখ মাওলানা উমায়ের কোববাদী, জানুয়ারী ২২, ২০২২- tinyurl.com/2p85z82v কোয়ান্টাম মেথড: আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে- ১, quraneralo.net, ফেব্রুয়ারি ১৬ ,R0R0- tinyurl.com/2ecxpehm [৩০৮] বইয়ের লিংক- tinyurl.com/mry9n44t [৩০৯] ইসলামে প্রেম ভালোবাসা, ইবনুল জাওধী রহিমাহুল্লাহ্, দারুস সালাম বাংলাদেশ প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ২৫৭ [৩১০] সূরা ফুসসিলাত, 85:88 [৩১১] সূরা বাকারাহ ২ :১৫৩ [৩১২] সূরা রাদ, ১৩:২৮ [৩১৩] ষোলো ফেইসবুক পোস্ট, মার্চ ২৮,২০২২- tinyurl.com/5cp89sun এখানে সহজ ১০ টি যিকিরের লিস্ট দেওয়া আছে। [৩১৪] এগুলো তোমাকে নানা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবে। সকাল সন্ধ্যার এই যিকিরগুলো [৩১৫] হিসনুল মুসলিম বই বা এপে এই যিকিরগুলো পেয়ে যাবে-গযাঙদা1.001/1 9101 [Sv] How love blossoms between you and your child,babycenter.ca- tinyurl.com/ mrxyy8dc [৩১৭] তাহাজ্জুদে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণার জন্য একটা বই সাজেস্ট করছি, আমার খুবই প্রিয় একটা বই। শাইখ আহমাদ মূসা জিবরীল-এর “কিয়ামুল লাইল”। ৩০ পৃষ্ঠার ছোট্ট একটা বই, কিন্তু তাহাজ্জুদের ব্যাপারে অনুপ্রেরণামূলক আলোচনায় একদম ঠাসা! [৩১৮] সূরা মুযযান্মিল, ৭৩:৬ [৩১৯] বুখারী : ১২৮৪ [৩২০] মুসলিম : ২৬৯৯ (ইফা. ৬৬০৮) [ws] The Helper’s High: The Neurobiology of Helping Others, tjajal. medium. com, Jun 17, 2018- tinyurl.com/mrx5yvuf [৩২২] বাদ্যযন্ত্র সহ গান শোনা হারাম। গানের আরও ব্যাপক ভয়াবহ প্রভাব রয়েছে। বিস্তারিত জানতে দেখতে পারেন এটি-ঢ্যাডদ11.00107/২৮ ৭ [৩২৩] Tara C. Marshall.Facebook Surveillance of Former Romantic Partners: Associations with PostBreakup Recovery and Personal Growth.Cyberpsychology, Behavior, and Social Networking.Oct 2012.521-526.http://doi.org/10.1089/ cyber.2012.0125 [৩২৪] আ্যাপ- tinyurl.com/mry9nd4t , পিডিএফ- tinyurl.com/3z8fpw65 [৩২৫] ইসলামের দৃষ্টিতে প্রেম ভালোবাসা, ইবনুল Sie রহিমাহুল্লাহ, দারুস সালাম বাংলাদেশ প্রকাশনী, পৃষ্ঠা -২৫৫, ২৫৭,২৫৮ [৩২৬] ইমহেল — lostmodesty@gmail.com FF -www.facebook.com/lostmodesty [৩২৭]7 Stages After A Break Up, Psych2Go, ইউটিউব ভিডিও, ডিসেম্বর ৫, ২০১৮- tinyurl. com/yeyntIn8 [৩২৮]কারও কারও ক্ষেত্রে আর একটু বেশি সময় লাগতে পারে। এই ধরো গড়ে ৬ মাস | How Long Does It Take to Get over a Breakup? Experts Weigh In, blog.zencare.co- tinyurl.com/a6frxjt6 [৩২৯] সূরা আল-বাকারাহ, ২:২৮৬ [৩৩০] বুখারী: ৮০৬, আযান অধ্যায়, ১/৭৬৯; ইসলামিক ফাউণ্ডেশন
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনার হোক।
মন্তব্য করতে প্রবেশ করুন — ফিরে আসবেন ঠিক এখানেই।