প্রেমের এতো ভয়াবহ দিক থাকার পরেও, ফ্রি সেক্স কালচার, অশ্লীলতা এতো ধংসাত্মক হবার পরেও, কোটি কোটি মানুষের জীবন ধ্বংস হয়ে যাবার পরেও কেন এগুলোকে প্রমোট করা হয়? বিশ্বব্যাপী এগুলোকে মানবাধিকার, ব্যক্তিস্বাধীনতা, মহান হিসেবে কেন উপস্থাপন করা হয়? এই মৌলিক প্রশ্নটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে। কিন্তু বইয়ের কলেবর ছোট রাখার উদ্দেশ্যে আমরা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে বাধ্য হলাম। সহজ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক। মানুষ অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে, প্রেম-ভালোবাসার নামে অবাধ যৌনতায় মেতে উঠলে কার লাভ? এ প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে দা'ঈ এবং আ্যাক্টিভিস্ট ড্যানিয়েল হাকিকাতযু “আধুনিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কেন যৌনতা ফেরি FE PIECE প্রবন্ধে বলেন:
“অশ্লীলতা আর অবাধ যৌনতা ছড়িয়ে পড়লে সমাজে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ে। এর মধ্যে এক নাম্বার হলো ভোগবাদ। কেউ যখন নিজের সব শারীরিক কামনাবাসনা, সব ফ্যান্টাসি চরিতার্থ করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন তার মধ্যে কোনো ধরনের আত্মনিয়ন্ত্রণ আর কাজ করে না। এ ধরনের মানুষ খুব ভালো ভোক্তা আর ক্রেতা হয়। পকেটে যতোক্ষণ টাকা থাকে ততোক্ষণ যা ইচ্ছে তা-ই সে কেনে। যা ইচ্ছে তা-ই সে করে। কাজেই অশ্লীলতা এবং অবাধ যৌনতার প্রভাবে ভোগবাদ বাড়ে। ভোগবাদ বাড়লে লাভ বিভিন্ন করপোরেশান আর সরকারগুলোর, যারা এই নিরন্তর ভোগ থেকে মুনাফা অর্জন করে। কোনো শহরের অধিবাসীদের মধ্যে মদের আসক্তি বাড়লে যেমন মদবিক্রেতার লাভ, তেমনি মানুষকে তাৎক্ষণিকভাবে কামনাবাসনা পূরণে অভ্যস্ত করে তুলতে পারায় করপোরেশানগুলোর লাভ।
এভাবে আত্মকেন্দ্রিক সমাজ গড়ে ওঠে। বিচ্ছিন্ন, একাকী মানুষদের নিয়ন্ত্রণ করা সহজ। সংঘবদ্ধ সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
সমাজে অশ্লীলতা এবং অবাধ যৌনতার প্রসার ঘটানোর আরেকটা উদ্দেশ্য হলো মানুষের ভালোমন্দ নির্ধারণের ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া। মানুষের যখন তাকওয়া থাকে না, তখন সত্যমিথ্যা আর ভালোমন্দের পার্থক্য করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধ নিয়ে রাজাদের তখন আর মাথা ঘামাতে হয় না। মানুষ
যদি মন্দকে চিনতেই না পারে তাহলে মন্দকে প্রতিরোধ করবে কীভাবে? তাছাড়া মানুষ যখন ইচ্ছেমতো কামনাবাসনা চরিতার্থ করতে অভ্যস্ত হয়ে যায় তখন অন্যায়কে চিনতে পারলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সে কথা বলতে চায় না। অন্যায়ের প্রতিরোধ করার মতো ইচ্ছাশক্তি আর সাহস তার মধ্যে থাকে না। তার মধ্যে এক ধরনের অভ্যস্ত আলস্য কাজ করে। আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, তাঁর বেঁধে দেওয়া সীমানা লঙ্ঘন করে ক্রমাগত নফসকে সন্তুষ্ট করার কারণে, তার মধ্যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মতো আত্মিক শক্তি আর থাকে না...» সহজ ভাষায়, যৌনতা, অশ্লীলতা আর সহজলভ্য প্রেম হল মানুষকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার। জনগণকে প্রেমের মাদকে, শরীরী নেশার মায়াজালে আর অশ্লীল বিনোদনে ডুবিয়ে রাখতে পারলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। ৷ মনমতো আইনকানুন, জীবনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া যায়। শোষণ করা যায়। বিশ্বব্যবস্থার রাজারা তাই প্রজাদের জন্য অসীম প্রেম, বিনোদন, শরীরী নেশার স্বাধীনতা দিয়ে রেখেছে-তোমার মন যা চায় তুমি তাই করো-বিনিময়ে তারা প্রজাদের পায়ে পরিয়ে দেয় পরাধীনতার এক অদৃশ্য শেকল। বানিয়ে ফেলে হাতের পুতুল! এসো, আমাদেরকে বন্দীত্বের শেকল পরানো কলুষতার এই সব কারিগর আর তাদের নানা কারিগরি চিনে নেওয়া যাক। শয়তান: FEOF প্রথম কারিগর ইবলিস। মানুষের আদি এবং চির শত্রু। দুনিয়াতে পাঠানোর আগে আল্লাহ আদম (আ.), হাওয়া (আ.) এবং শয়তানকে বলেছিলেন তোমরা নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু। ১! সেই থেকে ইবলিস আমাদের সাথে শত্রুতা করে যাচ্ছে। ইবলিস ওদ্ধত্যভরে মহান আল্লাহকে বলেছিল, মানবজাতিকে সে পথভষ্ট করবে। সেই প্রতিশ্রুতি সে আজও নিষ্ঠা ভরে পালন করে যাচ্ছে। আর মানুষকে আল্লাহর দ্বীনের পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য শয়তানের মোক্ষম হাতিয়ার হলো যিনা। যৌনতার প্রতি মানুষের ফিতরাতি
আকর্ষণকে কাজে লাগিয়ে যুগে যুগে শয়তান মানুষকে অনবরত কুমন্ত্রণা দিয়ে গেছে। পাশাপাশি মানুষের ভেতর তার দোসরদের সে পরামর্শ দিয়ে গেছে অশ্লীলতার প্রচার ও প্রসারের জন্য। আল্লাহই আমাদের বারবার সতর্ক করে দিয়েছেন - হে বনী আদম! শয়তান যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্ত না করে; যেমন সে তোমাদের পিতামাতাকে জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে এমতাবস্থায় যে, তাদের পোশাক তাদের থেকে খুলিয়ে দিয়েছে-যাতে তাদেরকে লজ্জাস্থান দেখিয়ে oF |e] “আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।সেতোএ নির্দেশই তোমাদেরকে দেবে যে, তোমরা অন্যায় ও অশ্লীল কাজ করতে থাকো।” ৭ “শয়তান তোমাদেরকে অভাবের ভয় দেখায় আর তোমাদেরকে অশ্লীল কাজ করতে তাগাদা দেয়। কিন্তু আল্লাহই তোমাদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং প্রাচুর্যের নিশ্চয়তা দেন। আল্লাহ তো সবকিছু ঘিরে আছেন, তিনি সব জানেন। “১১ কিন্তু এতো সতর্কবাণীর পরও মানবজাতি বারবার শয়তানের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে৷ স্থান-কাল-পাত্রের ব্যবধানে পুনরাবৃত্তি হয়েছে একই ভূলের। পশ্চিমা বিশ্ব: অবাধ যৌনতা তথা যৌনবিপ্লবের আদর্শ প্রচারকে পশ্চিমা বিশ্ব তাদের পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছে। যেসব যৌন বিকৃতি ও অবক্ষয় পশ্চিমে আজ স্বাভাবিক হয়ে গেছে, সেগুলো তারা ছড়িয়ে দিতে চায় বাকি পৃথিবীতেও।* এ উদ্দেশ্যে নিষ্ঠার সাথে এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আ্যামেরিকাসহ সারা বিশ্বে তাদের কাজ চলছে। এর জন্য তারা ব্যবহার করছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, এনজিও, থিষ্কট্যাঙ্ক, বিভিন্ন সেলিব্রেটি এবং নারীবাদী আন্দোলনকে। ৷ অবাধ যৌনতার আদর্শকে উপস্থাপন
করছে মানবাধিকার এবং উন্নয়নের মোড়কে। ১! সর্বোপরি, সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে যৌনশিক্ষার নামে শিশু-কিশোরদের যৌনবিপ্পবের আদর্শ শেখানো হচ্ছে,/১%৷ একইসাথে তাদের মাথা থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে যৌনতার ব্যাপারে ধর্মীয় নৈতিকতা ও বিধিবিধান। বিভিন্ন দেশকে সমকামিতাসহ অন্যান্য যৌন বিকৃতির আইনী বৈধতা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। না মানলে ভয় দেখানো হচ্ছে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার।০১! এনজিও, লিবারেল মিশনারী: উপনিবেশবাদের সময় কোনো জায়গায় ঘাঁটি গাড়তে গেলে পশ্চিমারা সাথে করে খ্রিষ্টান মিশনারীদের নিয়ে যেতো। খাদ্য, চিকিৎসা ইত্যাদি সাহায্য দেওয়ার নাম করে মিশনারীরা খ্রিষ্টধর্মের প্রচার করতো। তারা মনে করতো, স্থানীয় লোকেরা মিশনারীদের দাওয়াহ গ্রহণ করতে শুরু করলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। এই পশ্চিমা আগ্রাসন আর মিশনারীদের এই পার্টনারশিপ আজও আছে। শুধু থ্রিস্টান মিশনারীর বদলে এসেছে লিবারেল মিশনারী। আজকের পশ্চিমা বিশ্ব খ্রিষ্টধর্ম প্রচার করে না, প্রচার করে লিবারেল-সেক্যুলারিসম। ERE আদর্শ রপ্তানি করে। বাপ-দাদাদের মতো আজকের পশ্চিমারাও লক্ষ্য করেছে, কোন জনগোষ্ঠীর মধ্যে লিবারেল-সেক্যুলার ধারার চিন্তা প্রচলিত হয়ে গেলে সেই জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। আজকের উপনিবেশবাদ তাই এনজিও, আ্যাকটিভিস্ট, কালচারাল আইকন, ইয়ুথ আইকন ইত্যাদির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে এক বিশাল লিবারেল মিশনারী বাহিনী গড়ে
তুলেছে। এদের কাজ হলো বিভিন্ন সাহায্য দেওয়ার নাম করে যৌনবিপ্পবের মতো নানা পশ্চিমা দর্শনের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা। দাসত্বকে স্বাধীনতা হিসেবে দেখানো। লিবারেল- সেক্যুলারিসমের দাওয়াহ করা।
সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা: সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা একদিকে নারী পুরুষকে কাছাকাছি এনেছে, সহজাত লজ্জা ভেঙে দিয়েছে। পাশাপাশি আসমানী শিক্ষা ও নৈতিকতা থেকে শিশুদের দূরে সরিয়ে নিয়ে গেছে। পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য ভুলিয়ে দিয়েছে৷ শিখিয়েছে- বস্তুগত লাভক্ষতির মাপকাঠিতে সব কিছু মাপতে, শিখিয়েছে You only live once - জীবন তো একটাই। যেকোনো মূল্যে ভোগ করাই হলো জীবনের সফলতা। সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে ব্রেইনওয়াশ করেছে পশ্চিমের চাপিয়ে দেওয়া সেক্যুলার ব্যবস্থা ও দর্শনের অন্ধ অনুসরণের জন্য।
পপ কালচার: মানুষকে ব্রেইনওয়াশ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো মিডিয়া। অসংখ্য গবেষক, গবেষণা, বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন-মিডিয়া মানুষকে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে খুবই প্রভাবিত করে। মিডিয়া কিশোর-তরুণদের সামনে নতুন নতুন ট্রেন্ড নিয়ে আসে, অনুসরণীয় “আইডল” তৈরি করে। তুলে ধরে ভোগবাদী লাইফস্টাইলের রঙিন ছবি। প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে এর প্রভাবটা আরো ব্যাপক। প্রেমের নিয়মকানুন, প্রেমের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি অধিকাংশই আসে এই মিডিয়া থেকে। মানুষ পর্দায় যা দেখে বাস্তবেও তাই করতে চায়।। ১০২
করপোরেট ব্যবসা: কথিত প্রেম ভালোবাসা, ফ্রি সেক্স কালচার, সমকামিতা, অশ্লীলতার সাথে জড়িত রয়েছে বাঘা বাঘা করপোরেশন আর ইন্ডাস্ট্রির ভাগ্য। বার্ষিক প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের সিনেমা, ওয়েবসিরিয, টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি, ৫৩ বিলিয়ন ডলারের মিউষিক ইন্ডাস্ট্রি, ১৮৬ বিলিয়ন ডলারের সেক্স ইন্ডাস্ট্রি, ৯৭ বিলিয়ন ডলারের পর্ন ইন্ডাস্ট্রি, ৫০৭ বিলিয়ন ডলারের কসমেটিকস ও বিউটি ইন্ডাস্ট্রি, ৩
ট্রিলিয়ন ডলারের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি, প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলারের ড্রাগ ইন্ডাস্ট্রি, প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের ডিপ্রেশনের চিকিৎসা সেক্টর, ৪৭ বিলিয়ন ডলারের যৌনবাহিত রোগের চিকিৎসা মার্কেট, টেস্টিং কিটের ৯৫ বিলিয়ন মার্কেট... অধিকাংশই কোনো না কোনো মাত্রায় টিকে আছে এই প্রেম ভালোবাসা আর ফ্রি সেক্স কালচারের উপর ভর FEI প্রেম, অশ্লীলতা, যিনা-ব্যভিচারকে লাল কার্ড দেখালে এগুলোর কী হবে? বিশ্ব পরিচালনার নিয়মনীতি, বিশ্ব রাজনীতির হিসেব-নিকেশ, সবক্ষেত্রেই ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী খেলোয়াড়। তাই বিদ্যমান বিশ্বকাঠামো ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ব্যবস্থা, সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেলেও কথিত প্রেম ভালোবাসা, ফ্রি সেক্স কালচার, সমকামিতা, অশ্লীলতাকে প্রগতিশীলতা, উন্নতি, আধুনিকতা, স্মার্টনেস ইত্যাদির প্যাকেটে মুড়িয়ে প্রমোট করে যাচ্ছে এবং যাবে। এটা কখনোই বন্ধ হবে না। সোনার ডিম পাড়া
রাজহাঁসকে এই বিশ্বব্যবস্থার কেউই খুন করবে না।
এটা ছিল বৈশ্বিক ছবি। এবার এসো বাংলাদেশের দিকে তাকানো যাক। দেখা যাক, প্রেম ও যৌনতার মহামারির ফলে বাংলাদেশের সমাজ আজ যে খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে, তার পেছনে কারা ভূমিকা রেখেছে।
১। বলিউড, আকাশ সংস্কৃতি: ৯০ দশকের সিনেমা, নাটক, গানগুলো ছিল ভীষণ
রোমান্টিক। প্রেম সম্পর্কে সমাজের রক্ষণশীল ধারণাগুলো দূর করে দেয় শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান আর এদেশের সালমান শাহ, রিয়াজ, মাহফুয আহমেদ, জাহিদ হাসানেরা। মানুষ দেখলো, পর্দার প্রেমিক পুরুষরা অনেক স্মার্ট, অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, মারপিট করে, কঠিন ভাব নিয়ে চলে, আবার প্রেমও করে, নাচগান করে। অন্যদিকে গুন্ডা, ভিলেন, বাপ-বড় ভাইদের দেখানো হলো প্রেমের বিরোধিতাকারী হিসেবে। নায়করা পবিত্র প্রেমের পক্ষে, ভিলেনরা আ্যারেঞ্জড ম্যারেজ আর রক্ষণশীলতার পক্ষে। স্বভাবতই দর্শকদের মস্তিস্ক দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নিল-যারা হিরো, তারাই প্রেম করে। প্রেম মহান। প্রেমে বাধা দেওয়াটা ভিলেনের কাজ, শয়তানের কাজ। অভিনেতারা হয়তো নিছক টাকা আর খ্যাতির জন্যেই এমন করেছে, হয়তো পরিচালকদের মূল উদ্দেশ্য ছিল টিকেট বেচে টাকা কামানো। কিন্তু ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায়, পুরো উপমহাদেশের সমাজকে তারা অপরিবর্তনীয়ভাবেই বদলে দিলো।
২। নাটক, সিরিজ, গান, কবিতা, সাহিত্য: সুদীর্ঘকাল ধরেই এগুলো সমাজের
মনস্তত্ত্বের ওপর ভূমিকা রেখে এসেছে। তবে হুমায়ূন আহমেদের জাদুকরী লেখার স্পর্শে প্রেম আমাদের জাতীয় দুঃখবিলাসে পরিণত হলো। তরুণ, তরুণীরা প্রেম ছাড়া জীবনকে অর্থহীন মনে করা শুরু করলো। এছাড়া বিভিন্ন জনপ্রিয় লেখকদের কিশোর উপন্যাস কিশোর-তরুণদের সামনে প্রেম, ফ্রি-মিক্সিং আর সেক্যুলার চিন্তাধারাকে সুকৌশলে উপস্থাপন করলো আকর্ষণীয়ভাবে। তারপর বড় একটা পরিবর্তন আনে মোস্তফা সারোয়ার FEE আর তার ভাইবেরাদররা। নতুন সহশ্রাব্দে টেলিফিল্ম, আইটেম সং, আর ওয়েবসিরিযের ফেরিওয়ালারা নববই দশকের রোমান্টিক মিষ্টি প্রেমের মধ্যে উদারভাবে যৌনতার মশলা মিশিয়ে সেগুলো সমাজে স্বাভাবিক হিসেবে উপস্থাপন করে। লিভ টুগেদার, পরকীয়া, লিটনের ফ্ল্যাট, গার্লফ্রেন্ডকে লঞ্চের কেবিনে নিয়ে যাওয়া, ছেলে মেয়ে একসাথে ট্যুর দেওয়া, মারামারি, সহিংসতা, জাস্ট ফ্রেন্ড বা যার তার সাথে শুয়ে পড়া, মাদক-সবকিছু তারা স্বাভাবিক এবং আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাথে আগের প্রজন্মের বন্ধনকে দুর্বল করার চেষ্টা করে। তরুণদের বোঝায়-বাবা, মা, পরিবারের চাইতেও বন্ধু বান্ধবেরাই বেশি আপন।
২। লিবারেল মিশনারী: বাংলাদেশে অবাধ যৌনতা ও সেক্যুলার আদর্শ প্রচারে অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে এনজিওসহ বিভিন্ন লিবারেল মিশনারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি। এর উদাহরণ অনেক, সংক্ষেপে শুধু একটার দিকে তাকানো যাক। বেশ কয়েক বছর যাবত রবি টেন মিনিট স্কুল বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন উপকারি অনলাইন কোর্স পরিচালনা করে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছে। এ ধরনের কাজ অবশ্যই সাধুবাদ পাবার যোগ্য। তবে প্রশংসনীয় এসব কাজের পাশাপাশি এই ধরনের উদ্যোগের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের এমন কিছু কথা ও কাজ আছে, যা বেশ বড়সড় প্রশ্নের জন্ম দেয়। রবি টেন মিনিট স্কুলের চিফ ইন্সট্রাক্টর জনপ্রিয় শিক্ষক সাকিব বিন রশীদকে যেমন এক ভিডিওতে দেখা যায় বাচ্চাদের উপদেশ দিচ্ছে- তুমি যদি ফ্রেন্ডদের সাথে রাতে স্লিপ ওভার করতে চাও তোমার এটা করতে পারা উচিত! অন্য এক ভিডিওতে সে বলছে-
ভ্যালেন্টাইনে তুমি তোমার জাস্ট ফ্রেন্ড, বয় ফ্রেন্ড, অনলি ফ্রেন্ডকে নিয়ে ঘুরতে
যাও, মজা করো। অভিভাবকরা কেন ছেলেদের সাথে ঘুরলে মেয়ে সন্তানদের বকাবকি করে, কেন দূরে একা একা ছাড়তে দিতে চায় না, ট্যুরে যেতে দিতে রাজি না এটা নিয়ে অভিভাবকদের চার্জ করতে দেখা যাচ্ছে আরেক ভিডিওতে। অন্য একটা ভিডিওতে তাকে দেখা যাচ্ছে সেক্স এডুকেশনের নামে কিশোর তরুণদের সামনে পর্নোগ্রাফি নিয়ে মজা করছে৷ আরেক সেলিব্রেটি মিথিলার সাথে মিলে এক ভিডিওতে সে শেখাচ্ছে- নারী পুরুষের মধ্যে সম্মতি থাকলেই যৌন মিলন করা যায়। এটাই একমাত্র শর্ত। পারস্পরিক সম্মতি থাকলে যিনা করো। সমস্যা নেই। সে যে সমাজের মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার পরিবর্তন করতে চায় এমন কথা সাকিব বিন রশিদ নিজের মুখেই স্বীকার করেছে। টেন মিনিট স্কুলের আরেক শিক্ষক, তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় মুনজেরিন শহীদের সঙ্গে এক অনলাইন আলোচনায় সে যা বলে তার সারমর্ম হলো-
“আমি কমেডির মাধ্যমে কিছু জিনিস সমাজে প্রচলন করতে চাই, আমার গোপন
এজেন্ডা আছে, এমনি স্বাভাবিকভাবে বললে পাবলিক আমাকে মাইর দিবে।” সাকিব বিন রশীদরা সমাজে কীসের প্রচলন চায়, কোন মূল্যবোধ আমদানি করতে চায়, তা স্পষ্ট। টেন মিনিট স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা, সাবেক শিক্ষক শামির মোস্তাজিদ সমকামিতাকে সমর্থন করে পোস্ট দেয়। সেই পোস্টে আবার লাইক দিয়ে সমর্থন জানায় সাকিব বিন রশীদ। শামির বিভিন্ন সময় তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আকারে ইঙ্গিতে ইসলাম এবং ইসলামের শিক্ষাকে তাচ্ছিল্য করে। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু ভাঙ্গার নাম করে নিয়মিত নির্লজ্জতা ছড়িয়ে বেড়ায়।
রবি টেন মিনিট স্কুল, সাকিব বিন রশীদ, আয়মান সাদিক...সবারই লাখ লাখ অনুসারী রয়েছে, যারা সবাই বয়সে কিশোর বা তরুণ। যারা তাদেরকে অন্ধের মতো অনুসরণ করে৷
এতো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পরেও সাকিব বিন রশীদকে টেন মিনিট স্কুল থেকে বহিষ্কার না করা, টেন মিনিট স্কুল সমকামিতার সমর্থন করে-এমন শক্ত অভিযোগের সুস্পষ্ট জবাবে 'আমরা সমকামিতার সমর্থন করি না' এমনটা না বলে কথা ঘোরানো ইত্যাদি কারণে আয়মান সাদিক এবং টেন মিনিট স্কুল নব্য মিশনারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে কিনা এমন শক্ত অভিযোগ উঠেছে বেশ কিছুদিন যাবত!/১ এসব বক্তব্য থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, এ ধরনের সেলিব্রেটিরা যৌনবিপ্লবের আদর্শগুলোকে সূক্ষ্ম কৌশলে প্রচার করছে।
আরো বেশ কিছু অনলাইন সেলিব্রেটি, ইউটিউবার, ট্রল পেইজ প্রকাশ্যে অশ্লীলতার প্রচার প্রসার এবং স্বাভাবিকীকরণের কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের একনিষ্ঠ বাহিনী এনজিওগুলো তো আছেই।
৩। সংবাদ মাধ্যম: প্রগতিশীলতার নামে অবাধ যৌনতা ও প্রেমের সবক দেওয়ার
ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর রকমের কার্যকরী আরেকটি মাধ্যম হলো নিউস মিডিয়া। পত্রিকাগুলোর বিনোদন পাতা, দেশীবিদেশী সেলিব্রেটিদের ছবি, ব্যক্তিগত জীবনের নানা গসিপ, যিনা আর প্রেমের গল্পকে সপ্তাহের পর সপ্তাহ উপস্থাপন করে গেছে আকর্ষণীয়ভাবে।
ভারতীয় এক বিশেষ পর্ন অভিনেত্রীকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভাইরাল করার দায়িত্ব খুব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছে। প্রথম আলোর ফিচার পাতা নকশা আর অধুনা নারীদের উগ্র, অশালীন পোশাক-আশাক পরার তালিম দিয়েছে, বিয়ে বহির্ভূত যৌনতাকে স্বাভাবিক হিসেবে তুলে ধরেছে, পরকীয়ার সবক দিয়েছে, ইসলামী শিক্ষা ও বিধি-বিধানকে সেকেলে হিসেবে উপস্থাপন করেছে বিভিন্ন প্রবন্ধ, ফিচার আর EERIE অন্যান্য পত্রিকাগুলোও হেঁটেছে একই পথে। প্রথম আলোর কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর আলো (কিআ) বাচ্চাদের শিখিয়েছে-প্রেমের প্রপোজ করে তুমি খুব সাহসী কাজ করেছো। আরো শিখিয়েছে জিন্স-টপস পরে ছেলেদের সাথে বৃষ্টিতে ভেজাই হলো ভালো থাকার নমুনা। বন্ধুসভা, কিশোর আলোর বিভিন্ন প্রোগ্রামে ছেলেমেয়েদের শেখানো ফ্রি-মিক্সিং, জুটি বেঁধে নাচ গান, মডেলিং করা! এ ধরনের কার্যক্রম শুধু প্রথম আলো না, অন্যান্য অধিকাংশ মিডিয়াই করছে। পিছিয়ে নেই বিদেশী সংবাদমাধ্যমগুলোও।
লিভ টুগেদার: বিয়ে না করেও একসাথে থাকছেন বাংলাদেশের যে নারী-পুরুষেরা। ব্রিটেনে এশীয় মুসলিম পরিবারে সমকামী এক নারীর অভিজ্ঞতা: “মুসলিম হলেও সমকামী হওয়া AR সমকাম বিদ্বেষ কী কোনো রোগ? চিকিৎসা করিয়ে কি একে সারিয়ে তোলা যায়? “ভুল দেহে” জন্ম নিয়ে লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়ের বিড়ম্বনায় নিশাত... কেমন আছেন বাংলাদেশের সমকামীরা কোভিড: ব্রিটেনের লকডাউনে তরুণরা কীভাবে তাদের যৌন অভ্যাস বদলাচ্ছে এ ধরনের বিভিন্ন সংবাদ বিবিসি বাংলা ও জার্মানি ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডয়েচেভেল তাদের ফেইসবুক পেইজ থেকেটাকা খরচ করে স্পনসরড পোস্ট দিয়ে প্রচার করছে। ০৮! উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট। যিনা, লিভ টুগেদারের মতো কাজগুলো সমাজে স্বাভাবিক করে তোলা। সমকামিতার মতো বিকৃতির প্রতি সহানুভূতি তৈরি করা। মানুষ পুরুষের শরীরে
SOR | আকাশের ওপারে আকাশ
জন্মগ্রহণ করলেও সে যে নারী হতে পারে বা নারীর শরীর নিয়ে জন্মগ্রহণ করেও পুরুষ হতে পারে-এমন বিকৃত, মিথ্যা, অবৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনাকে প্রমোট করা। সর্বোপরি যৌনবিপ্পবের তত্ত্ব আর আকীদাহ উন্নতি আর প্রগতি হিসেবে তরুণদের গেলানো।
৪। বিজ্ঞাপন: বিজ্ঞাপন বিশেষ করে, কমসেকম গত পনেরো বছর ধরে মোবাইল সিম
কোম্পানিগুলোরা১ বিজ্ঞাপনের মূল কথাই হলো- ছেলেমেয়ের কোনো ভেদাভেদ নেই; জড়াজড়ি, হাতাহাতি করো কোনো সমস্যা নেই। বাঁধ ভাঙো, সীমানা ছাড়াও, বন্ধু-আড্ডা-গানে হারিয়ে যাও। এদের বিজ্ঞাপনের ধরাবাঁধা ফরম্যাটই হলো ক্যাচি গান আর ট্রেন্ডি নাচের সাথে তরুণ-তরুণীদের “মজা করার” নানা দৃশ্য জুড়ে দেওয়া। মোবাইল সিম কোম্পানীগুলো ছাড়াও অন্যান্য আরো বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভালোবাসার বাতিক উস্কে নিজেদের পকেট ভারী করার এই প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে।
প্রতিবছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষ্যে জাতীয়ভাবে যিনার মহ! উৎসব হয়। ২০১০-১২ সালের দিকেও অবস্থা এতোটা ভয়াবহ ছিল না। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-কে জনপ্রিয় করা হয়েছে ব্যবসায়িক স্বার্থে। এদিন কেবল ফুলই বিক্রি হয় কোটি কোটি টাকার। কনডম, রেস্টুরেন্ট, হোটেল ব্যবসা সহ অন্যান্যগুলো তো বাদই থাকলো। ভ্যালেন্টাইল ডে, একটা নিখুঁত করপোরেট হলিডে। পুঁজি ও প্রফিটের স্বার্থে বোকা জনগণের যৌনতাকে উস্কে দেওয়ার উজ্জ্বল উদাহরণ।
বহুজাতিক করপোরেশনের প্রফিটের হিসেব আর আন্তর্জাতিক এজেন্ডার মিশেলে ভ্যালেন্টাইল ডে-কে জাতীয় ক্রেজে পরিণত করার ব্যাপারটা কীভাবে ঘটে গেল, তার সবচেয়ে ভালো প্রমাণ সম্ভবত বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার। ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষ্যে ইউনিলিভার ২০১১-১২ সাল থেকে নাটক বানানোর ব্যাপক জনপ্রিয় এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। সেরা “কাছে আসার গল্প' নিয়ে প্রথম সারির অভিনেতা অভিনেত্রীদের দিয়ে নির্মাণ করে নাটক।১%৭৷ যেমনটা আমরা ইতিমধ্যে বলেছি যিনা-ব্যভিচারের ব্যাপারে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই নাটকগুলোর ভূমিকা ব্যাপক!
প্রথমদিকে কাছে আসার গল্পের নামে যিনা প্রমোট করলেও ২০২২ সালে এসে এই স্লোগান বদলে যায়। এবার বলা হয় দ্বিধাহীনভাবে কাছে আসার গল্প। বোরখা পরা এক মেয়ের সাথে ক্রুশ পরা এক ছেলের কাছে আসার গল্প বলে ওরা। মজার ব্যাপার হলো ইউনিলিভার এই ক্যাম্পেইনটা শুধু বাংলাদেশে না, আরো অনেক দেশে করে। সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় আপাতত বাংলাদেশে শুধু যিনা আর “ধর্ম ভুলে ভালোবাসার গল্প
শোনালেও, একই ধরনের স্লোগান দিয়ে অন্যান্য দেশে ইউনিলিভার সমকামিতা আর ট্র্যান্সজেন্ডারিসমের পক্ষেও প্রচারণা চালায়। দেশে দেশে এই ক্যাম্পেইনগুলো চলে #FREETOLOVE - হ্যাশট্যাগ দিয়ে। আর এই ক্যাম্পেইনগুলোর উদ্দেশ্য হলো ষাটের দশকের (REET আদর্শগুলো বাস্তবায়ন করা। যার স্বীকৃতি তারা তাদের ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন পাবলিকেশনে দিয়ে রেখেছে।। ১১!
৫। যৌন শিক্ষা: যৌন শিক্ষা সব মানুষেরই দরকার। তবে যৌন শিক্ষার নামে অবাধ
যৌনতার দীক্ষা না। যৌন শিক্ষার নামে আজ যা চলছে তা মূলত যৌনবিপ্পবের আদর্শ শেখানোর মাধ্যম। যেখানে “সেইফ সেক্স' আর “কনসেন্ট*"ই শেষ কথা, সেই যৌন শিক্ষার মূল বক্তব্য হলো-যা খুশি, যেমন খুশি করো, শুধু যৌনতা “নিরাপদ এবং পরস্পরের সম্মতিতে হতে হবে। বাংলাদেশে পশ্চিমাদের অর্থায়নে এই শিক্ষাই দেওয়া হচ্ছে স্কুলে। ছেলেমেয়েদেরকে পাশাপাশি বসিয়ে কনডম আর মাসিক-এর ব্যাপারে জানানো হচ্ছে। মেয়েরা জানাচ্ছে, আগে তারা ছেলেদের সাথে মিশতে লজ্জা পেতো, যৌন শিক্ষা ক্লাসের পর এখন আর মিশতে লজ্জা পায় না। প্রেমের সবক দেবার পাশাপাশি শেখানো হচ্ছে দুজনের সম্মতিতে যৌন অনুভূতি প্রকাশ দোষের কিছু না। ১২
৬। ইসলামবিদ্বেষ: বাংলাদেশের সমাজে অবাধ যৌনতা প্রচার ও প্রসারের আরেকটি
বাহন হলো ইসলামবিদ্বেষ। পশ্চিমারা এবং তাদের দেশীয় গোলামরা জানে অশ্লীলতা এবং অবক্ষয়ের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হলো ইসলাম। তাই তারা ইসলামের শিক্ষা প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। সরাসরি করলে মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়বে, তাই কাজটা তারা করে একটু ঘুরিয়ে।
প্রথমে ইসলামের বিভিন্ন দিককে “উপ্রবাদ' বা াচরমপন্থা' নাম দেয়। তারপর উগ্রবাদ থেকে মুক্তির পথ হিসেবে, ইসলামী চরমপন্থার দাওয়াই হিসেবে পেশ করে অবাধ যৌনতার আদর্শকে। কিছু উদাহরণ দেই, দেখো হিসেবটা মেলাতে পারো কি না।
২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন অধ্যাপক ঘোষণা দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উগ্রবাদের প্রভাব প্রকট। কারণ এই গবেষকরা দেখেছেন ছাত্রছাত্রীরা সম্ভাষণ, বিদায়সহ দৈনন্দিন নানা বিষয়ে কিছু আরবি শব্দের ব্যবহার করছেন। যেমন, আলহামদুলিল্লাহ, ইনশাআল্লাহ, ইত্যাদি। তাদের মধ্যে হিজাব, নিকাব কিংবা গোড়ালির ওপর প্যান্ট পরার প্রবণতা বাড়ছে। সেই সাথে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন করার ব্যাপারে আগ্রহের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ ছাত্রছাত্রীরা ইসলামের কিছু বিষয় মানার চেষ্টা করছে। আর তা থেকেই প্রমাণ হয়ে গেছে যে উগ্রবাদের প্রভাব বাড়ছে।।১%৷ ২০১৯ সালে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন দেশের প্রথম সারির পত্রিকাগুলোতে বিজ্ঞাপন দেয়। সেই বিজ্ঞাপনে বলা হয়- দাড়ি টুপি রাখা, টাখনুর উপর প্যান্ট পরা, ইসলামের অনুশাসন মেনে চলা, নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা হয় এমন অনুষ্ঠানে না যাওয়া নাকি জঙ্গিবাদের লক্ষণ!।১% পরের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রফেসর বলে বসে, শুদ্ধভাবে সালাম দেওয়া — আসসালামু আলাইকুম বলা নাকি জামাত শিবির, জঙ্গিবাদের লক্ষণ! এমনকি এমন বিজ্ঞাপনও দেওয়া হচ্ছে যে, পাশের বাসার ভাবির দিকে না তাকানো, মেয়েদের সাথে ঢলাঢলি না করে জন্মদিন পালন না করা, প্রেম না করা, লুতুপুতু না করা, গুনাহর জীবন ছেড়ে ইসলামের পথে ফিরে আসা এগুলোও জঙ্গিবাদের লক্ষণ! হিসেবটা কি মেলাতে পারলে?
ইসলাম পালন - উগ্রবাদ আর উগ্রবাদ থেকে বাঁচার উপায় হলো প্রগতিশীল, মুক্তমনা হয়ে অবাধ যৌনতার দর্শনে ঈমান আনা।
৭। ক্যারিয়ার ক্লাব, সোসাইটি: ডিবেট সার্কিট, করপোরেট ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি শেখানো
স্কুল, কলেজ, ভার্সিটির বিভিন্ন সোসাইটি, ক্যারিয়ার ক্লাবের মতো উদ্যোগগুলোর বিভিন্ন ইতিবাচক দিক আছে। নারীপুরুষের অবাধ মেলামেশার মতো হারাম উপাদানগুলো থেকে মুক্ত হলে শর্তসাপেক্ষে এগুলো জায়েজও হতে পারে। কিন্তু এখন এগুলো পুরোপুরিভাবে তরুণ প্রজন্মকে সেক্যুলার-লিবারেল আদর্শে দীক্ষিত করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলোর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের ব্রেইনওয়াশ করা হচ্ছে। ফ্রি- মিক্সিং শেখানো হচ্ছে। সূক্মনভাবে বদলে দেওয়া হচ্ছে মূল্যবোধ ও নৈতিকতা। এজন্যই
এ ধরনের অনুষ্ঠানগুলো 'হুকআপ” করার এবং অশ্লীলতার উপলক্ষ হয়ে গেছে৷ মডেল জাতিসংঘের অনুষ্ঠানে মেয়ে ছেলের কোলে বসে নাচছে।১১ আশেপাশের সবাই উৎসাহ দিচ্ছে। ডিবেট সার্কিটে অশ্লীলতা, সমকামিতা, অবাধ যৌনতাসহ বিভিন্ন সেক্যুলার ধ্যানধারণা প্রমোট করা হচ্ছে।। ১১ এভাবে লিবারেলিসমের ঝান্ডাবাহী মিডিয়া, নব্য মিশনারী, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, শাহবাগী সাংস্কৃতিক জমিদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে আমাদের এই সোনার বাংলাদেশটা অশ্লীলতা, যিনা-ব্যভিচার, খুন, ধর্ষণ, সমকামিতা, যৌন বিকৃতিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা, প্রেম, যিনা-ব্যভিচার, নারীবাদ, সমকামিতাকে আমাদের দেশের সেক্যুলার গোষ্ঠী উন্নতির পূর্বশর্ত মনে করে। ইউরোপ-আ্যামেরিকা উন্নত কারণ তারা পর্দা করে না, ফ্রি-মিক্সিং, ফ্রি সেক্সকে বৈধতা দিয়ে রেখেছে। ওদের মতো উন্নত হতে হলে আমাদেরও তেমন হতে হবে- এই হলো তাদের যুক্তি কিন্তু ঘোড়ার আগে গাড়িকে জুড়ে দিলে কি গাড়ি চলে? এনলাইটেনমেন্ট, Fake, জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতি, জীবনযাত্রার উন্নতমান, নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা, ফ্রি সেক্স...এগুলো ফলাফল, কারণ না। পশ্চিমের উত্থানের মূল কারণ ভারতবর্ষ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আ্যামেরিকা, আ্যামেরিকার প্রকৃত মালিক রেড ইন্ডিয়ানদের উপর চালানো তাদের ওঁপনিবেশিক লুটপাট, সামরিক শক্তি আর কূটনীতি। ধর্ম নিরপেক্ষতা না। কাব্য, সাহিত্য, শিল্প প্রতিভা কিংবা আর্মচেয়ারের কল্পনাবিলাস =i নারীবাদ, সমকামিতা, ফ্রি সেক্স কালচার ইত্যাদির ব্যাপারে সহনশীলতা না। বরং এগুলো পতনের DF | পতোনোন্যুখ জাতির বৈশিষ্ট্যই এগুলো-পাশ্চাত্যেরও পতন ঘটছে এই কারণগুলোর জন্য। যার প্রমাণ আমরা দিয়ে এসেছি। FEO কারিগরেরা আজ নিপুণভাবে মানবজাতির নফসকে উস্কে দিচ্ছে। তৈরি হচ্ছে চরম মাপের আত্মকেন্দ্রিক, বস্তবাদী আর ভোগবাদী সমাজ। মানুষকে শেখানো হচ্ছে-ভোগ করো, নিজেকে তৃপ্ত করো। নিজেকে সম্ভষ্ট করো- নাফসী নাফসী নাফসী। এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে সভ্যতা। আর সভ্যতার এই অসুখ ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের দেশেও। আক্রান্ত করেছে আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্তানদের।
আল আকসাকে মুক্ত করা মহান বীর সুলতান সালাহউদ্দীন আইউবী (রহ.) বলেছিলেন- “কোন জাতিকে যদিযুদ্ধ ছাড়া ধ্বংস করে দিতে চাও তাহলে তাদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দাও” চোখ বন্ধ করেই বলে দেওয়া যায় আমরা সেই ধ্বংসের দিকেই আগাচ্ছি...
---
টীকা ও তথ্যসূত্র
[১৯১] সংশয়বাদী, ড্যানিয়েল হাকিকাতযু। ইলমহাউস পাবলিকেশন, ২০২১ [১৯২] ইসরাঈল ফিলিস্তিনি মুসলিমদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। তারা সামরিক আগ্রাসন চালানোর সময় ফিলিস্তিনের শহর দখল করে টিভিতে পর্নমুভি ছেড়ে দেয়। মুসলিমদের দেখতে বাধ্য করে। আমেরিকার কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এর সাথে হলিউডের মাখামাখি সম্পর্ক তো ওপেন সিক্রেট। বলিউডকেও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের প্রোপ্যাগান্ডার জন্য ব্যবহার করে এমন অভিযোগ বহু পুরোনো। Pornography as Israel’s Weapon of Choice, muslimskeptic.com, January 10, 2019- tinyurl.com/2urp9;69 How CIA Spies Infiltrated Movies, Music, Art and More,spyscape.com- tinyurl. com/286¢cue3h [১৯৩] সূরা আল আ'রাফ, ৭:২৪ [১৯৪] সূরা আল-আরাফ, ৭:২৭ [১৯৫] সুরা আল-বাকারাহ, ২ : ১৬৮-১৬৯ [১৯৬] সূরা আল-বাকারাহ, ২:২৬৮ [১৯৭] US State Department advances LGBT equality globally with first Special Envoy for LGBT Persons, GLAAD, Febr 27, 2015 - tinyurl.com/2p9y65u9 US Department of State, LGBT Rights - https://www.state.gov/subjects/Igbt-rights/ [১৯৮] Eliminating Discrimination Against Children And Parents Based On Sexual Orientation And/ Or Gender Identity, Unicef Current Issues, No 9,November 14- tinyurl.com/2p8aabmh International Groups Seeking to Impose Sexual Revolution on Africa, The Ruth Institute, Dec 11, 2020 - tinyurl.com/3bddeuk5 The New Colonialism of the Sexual Revolution, Dr. Jennifer Roback Morse, tinyurl.com/2s3njwj9 [১৯৯] জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা Sustainable Development Goals (এসডিজি) এর ভেতরে অবাধ যৌনতা, সমকামিতা, ট্র্যান্সজেন্ডার অধিকারসহ নানা বিষয় ঢোকানো হয়েছে। এসডিজির মধ্যে ১৭টি লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ নম্বর হল “অসমতার gh” | আপাতভাবে নিরীহ মনে হলেও, মূলত এর মাধ্যমে সারা বিশ্বজুড়ে অবাধ ও বিকৃত যৌনতার স্বাভাবিকীকরণের ক্যাম্পেইন চলছে। LGBTI and the Sustainable Development Goals: Fostering Economic Well-Being, Brieanna Scolaro, June 24, 2020 - tinyurl.com/ve6s7{jh LGBT Inclusion and the Sustainable Development Goals, Stonewall.org, January 2016 - tinyurl.com/bd48dn3k Ban calls for efforts to secure equal rights for LGBT community, UN.org, Sep 21, 2016 - tinyurl.com/mvvua678 [200] The War on Children. The Comprehensive Sexuality Education Agenda, carlistas tv ইউটিউব ভিডিও, Apr 19, 2017- tinyurl.com/3fub6sbu [২০১] US imposes sanctions on Uganda for anti-gay law, BBC, June 19, 2014- tinyurl.com/mryv4t9m Hungary threatened with EU sanction over anti-LGBT law, Euronews, Oct 4, 2021 - tinyurl.com/yc5d2cn9 [২০২] Nandini Jagadeesan, Jemmy Suthandiradas, “Exposure Time to Romance Depicted in Media and its Influence on Beliefs about Romantic Relationships among Adults”, The International Journal of Indian Psychology, Volume 6, Issue 4, october-December, 2018- tinyurl.com/3h2n39dn Banjo, 0.0., “The effects of media consumption on the perception of romantic relationships”, Penn State McNair Journal, 9, 9-33,2002- tinyurl.com/542795t4 Myrien Eulah Kezia 0. Banaag, “The Influence of Media on Young People’s Attitudestowards their Love and Beliefs on Romantic andRealistic Relationships’, International Journal of Academic Research in PsychologyJuly 2014, Vol. 1, No. 2 - tinyurl.com/37fwbzuc Why Bollywood movies ruined my idea of love and marriage! Times of India, January 11,2019- tinyurl.com/2p89wvxr [২০৩] The Film Industry Made A Record-Breaking $100 Billion Last Year, forbes. com, 12 March, 2020- tinyurl.com/y55rkdjd ১ বিলিয়ন = ১০০ কোটি, ১ ট্রিলিয়ন - ১ লাখ কোটি , ২৩ জুলাই ২০২২ তারিখে সরকারি তথ্যমতে বাংলাদেশের মোট রিজারভের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। প্রেম, যিনা- ব্যভিচারের উপর নির্ভর করে যে বাজারগুলো দাঁড়িয়ে আছে তাদের বার্ষিক বাজারমূল্যের উপর আর একবার চোখ বুলাও। বুঝতে পারছো- সংখ্যাটা কতো বড়? Music industry revenue worldwide from 2012 to 2023, statista.com, August 10, 2021- tinyurl.com/45u8xkn4 Depression Treatment Market Outlook (2022-2032), futuremarketinsights.com, May 2022- tinyurl.com/2ctr7pa8 Spending on illegal drugs this year, worldometers.info, September, 20, 2022- tinyurl.com/3kcfrrbp Things Are Looking Up in America’s Porn Industry, nbcnews.com, January 20, 2015- tinyurl.com/22esh2kk Prostitution Revenue By Country, havocscope.com- tinyurl.com/hxddzunp Sexually Transmitted Diseases (STDs) Drug - Global Market Trajectory & Analytics, researchandmarkets.com, April 2021- tinyurl.com/4twyykxf Family Planning & Abortion Clinics in the US - Market Size 2003-2028, ibisworld. com, June 24, 2022- tinyurl.com/2ayd2ywv Fashion Industry Statistics: The 4th Biggest Sector Is Way More Than Just About Clothing, fashinnovation.nyc- tinyurl.com/3sz4bmun STD Testing Market Size Was Valued at USD 95 Billion in 2021 and Will Achieve USD 141 Billion by 2030 growing at 4.7% CAGR due to the Increasing Rates of STDs Globally- Exclusive Report by Acumen Research and Consulting, July 28, 2022- tinyurl.com/4mu2z5jw [২০৪] মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইয়ে পাবে [BIR@-tinyurl.com/4rarahs2 [২০৫] কিশোরী আনুশকা হত্যার জন্য দায়ী অসভ্য সংস্কৃতি, বিচার হোক সংশ্লিষ্টদের - শায়খ আহমাদুল্লাহ, As-Sunnah Foundation আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ইউটিউব ভিডিও, জানুয়ারি ৯, ২০২১- tinyurl.com/4tu7cru2 Sakib Bin Rashid | Sex education in BD | standup comedy | 10 minute school, Md. Mohiminul Islam Himo ইউটিউব ভিডিও, এপ্রিল ৪,২০১৭- tinyurl.com/yc42pfas Requests to all parents | Rafiath Rashid Mithila & Sakib Bin Rashid, ALL VIDEO 2018/12 ইউটিউব ভিডিও, ডিসেম্বর ৮, ২০১৮ - tinyurl.com/2sm3rdvc Consent Sakib Bin Rashid & Rafiath Rashid Mithila, Rimon Hassan Raihan ইউটিউব ভিডিও, মার্চ ২৫,২০১৯- tinyurl.com/yrepphzu আপনি কি একটি বিষাক্ত প্রেমে আটকে আছেন? Sakib Bin Rashid ফেইসবুক পোস্ট, ফেব্রুয়ারি ২৫,২০২০ - tinyurl.com/msse32jw Honestly Speaking with SBR Episode ০১: Social Media Content Making] Guest: Munzereen Shahid, MSF Company ইউটিউব ভিডিও, জুন ১২,২০২০-ঢাদদা], com/ycx2bbk4 দুনিয়াটা তোমার প্লে-গ্রাউন্ড... প্লে উইথ কনফিডেন্স, Sakib Bin Rashid ফেইসবুক পোস্ট, মার্চ ২০,২০২২- tinyurl.com/4e7cnnej বি.দ্র.- প্রতিবাদের মুখে দুই একটি ভিডিও টেন মিনিট স্কুল তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তাই অন্য চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিও লিংক দেওয়া হলো। [২০৬] কীভাবে বুঝবেন আপনি প্রেমে পড়েছেন? প্রথম আলো, জুন ১৩, ২০১৭- tinyurl.com/2p8b6wnh টিন টিন প্রেম, প্রথম আলো, মার্চ ২০,২০১৮- tinyurl.com/yxxhutz [২০৭] প্রপোজ করে তুমি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছ, কিশোর আলো, মে ২৫, ২০২২ - tinyurl.com/ffybtcah কিশোর আলোঃ ফ্রি-মিক্সিং প্রপাগাপ্ডা, Lost Modesty ফেইসবুক পোস্ট, আগস্ট ১৩, R03 q-tinyurl.com/yyn6adss [২০৮] বাংলাদেশে সমকামিতার প্রচারকদের কর্মকৌশল নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য অবশ্যই পড়ো- সমকামী এজেন্ডাঃ gers, lostmodesty.com, আগস্ট ৩০, ২০১৮ - tinyurl. com/3dzxbuaw [২০৯] বিশেষ করে ভারতীয় কোম্পানি এয়ারটেল, রবি, বাংলালিংক [২১০] ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প '-এর আরও একটি বছর, প্রথম আলো, ফেব্রুয়ারি ১৩ ১ ২০২১- tinyurl.com/yb5755bt [২১১] বিস্তারিত দেখ- ক্লোজআপের দ্বিধাহীন ভালোবাসার গল্প আয়োজনে উত্তপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া, The Global Affairs, eR ২৭,২০২২- tinyurl.com/mr455by8 Dr. Holly Parker (Ph.D). “Closeup Freedom to Love Campaign White Paper”, 2018- tinyurl.com/4px4bcjf Closeup Philippines @CloseupPH টুইটার পোস্ট, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮- tinyurl.com/393tduh5 #freetolove presents 3 JOURNEYS OF LOVE, close-up.com -tinyurl.com/ mretcaxa [২১২] পশ্চিমা বিশ্বের সেক্স এডুকেশনের মতোই “জেনারেশন ব্রেকঞ্চ' প্রকল্পটি, বিবিসি বাংলা, মার্চ ২৫, ২০১৯- tinyurl.com/bdzf7bte পাঠ্যবইয়ে কী শিখছে শিশুরা >> দুইজনের সম্মতিতে যৌন অনুভূতি প্রকাশ দোষের নয়! বিডিটুডে. নেট, জুলাই ২৫, ২০১৪- tinyurl.com/yd7r6vén [২১৩] বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উগ্রবাদের প্রভাব প্রকট। প্রথম আলো, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭ - tinyurl.com/yu2auSjc [২১৪] “সম্প্রীতি বাংলাদেশ' দেননি, তাহলে বিজ্ঞাপনটা দিলো কে? আওয়ার নিউজ ডেস্ক | মে ১৬, ২০১৯- tinyurl.com/ymS5j6nw2 [২১৫] শুদ্ধ করে সালাম দেওয়া, কথা শেষে আল্লাহ হাফেজ বলা জঙ্গিবাদের লক্ষণ - ঢাবি প্রফেসর জিয়া রহমান, SI MEDIA, October 20, 2020- tinyurl.com/2mwmt4fe [২৬] #VIRAL Model United Nations Turning into Lap-Dancing session at IMUN 2019] TNEC,The North-Eastern Chronicle,March 4, 2019- tinyurl.com/rv2uhcne নীল নকশা (ved কিস্তি), lostmodesty.com, মার্চ ৬, 2055- tinyurl.com/5n8k9wy6 [২১৭] ডিবেটিং সোসাইটিস: বাংলাদেশে সমকামিতা প্রচারের কেন্দ্র, Lost Modest ফেইসবুক পেইজ, June ৫,২০২১ ও June ২, ২০২১ - tinyurl.com/5n8ednnr, tinyurl.com/mr3b7b59
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনার হোক।
মন্তব্য করতে প্রবেশ করুন — ফিরে আসবেন ঠিক এখানেই।