ক্রীতদাস
প্রেমের একটি ভয়ঙ্কর ফাঁদ হলো ফ্রেন্ডযোন। একটা মানুষের আত্মসম্মান ধ্বংস করে তাকে অন্যের চাকর বানিয়ে ফেলে এটা। ছেলে, মেয়ে দুইদলের মধ্যেই এই সমস্যাটা দেখা দিলেও সাধারণত ছেলেরাই এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হয়। ১! ফ্রেন্ডযোন জিনিসটা আসলে কী? ফ্রেন্ডযোন মানে ঠিক প্রেম করা না। এটা হচ্ছে প্রেমের প্রলোভনে চাকর বানানোর মতো। বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মতো অনেকটা। ধরো, তুমি একজনকে পছন্দ করো। কিন্তু নানা কারণে তুমি তাকে ATR করতে পারো না; তাকে বলার মতো যথেষ্ট সাহস জোগাড় করতে পারো না; সে যদি প্রত্যাখ্যান করে, সে যদি রেগে যায়। তাই তুমি তাকে গিয়ে বললে, আমি তোমার সাথে ফ্রেন্ডশিপ করতে চাই। ও হয়তো এরই মধ্যে বুঝে ফেলেছে তুমি তার জন্য প্রেমে দিওয়ানা। কিন্তু না বোঝার ভান করে সে তোমার সাথে বন্ধুত্ব চালিয়ে যায়। বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যাবার ভয়ে তুমি তাকে সরাসরি প্রপোয করতেও ভয় পাও। তুমি আটকে গেলে ফ্রেন্ডযোনে। FOR ফেঁসে গিয়ে প্রতিনিয়ত খুন হওয়া শুরু হলো তোমার। আবার ধরো তুমি তাকে প্রপোয করেছো। কিন্তু সে বললো, “আরে, এসব তুমি কী বলছো! আমি তো তোমাকে খুবই ভালো একজন বন্ধু হিসেবে দেখি। আমি তো অন্য একজনের সাথে প্রেম PI তখন তুমি তার সাথে সম্পর্ক একেবারেই শেষ না করে বললে, “আচ্ছা ঠিকাছে, আমাকে তোমার ভালোবাসতে হবে না, আমরা (FF বন্ধু হয়েই থাকি।' ঘরের খেয়ে বিনা পয়সায় অন্যের জন্য কামলা খাটার সংগ্রামী, মেহনতি এই জীবনে তোমাকে সুস্থাগতম! FORE ফেসে গিয়ে তুমি যে অন্য একজনের চাকর হয়ে গেছো তার কিছু লক্ষণ:
১। অধীর আগ্রহে তুমি তার ফোন-মেসেজের জন্য অপেক্ষা করো। একটু পর পর চেক
করো সে অনলাইনে আছে কি না। তোমার পাঁচটা মেসেজের বদলে সে একটা রিপ্লাই দিলে দ্বিগুণ উৎসাহে আরো দশটা মেসেজ দিয়ে দাও। তার সব ছবিতে তুমি লাভ রিয়্যাক্ট দাও, উচ্ছ্সিত প্রশংসা করো তার রূপের।
২। সবসময় তোমার মাথাতে শুধু সে ঘোরাফেরা করে।
©| তার সাথে ডেট করার স্বপ্ন দেখো তুমি। তার সাথে তোমার বিয়ে হবে, বিয়ের অনুষ্ঠান কোথায় করবে, হানিমুনে কোথায় যাবে, বাচ্চার নাম কী রাখবে-নানা হাবিজাবি জিনিস ভাবতে থাকো।
৪। সে ডাকলেই তুমি ছুটে আসো। তার জন্য সবসময় তুমি আ্যাভেইলেবল। রাত
যতোই গভীর হোক, ঝড়, বন্যা, বৃষ্টি কিংবা অগ্যুৎপাত হোক, কারফিউ জারি হোক, বিশ্বযুদ্ধ লাগুক-সে ডাকলেই তুমি ছুটে যাও।
৫। তুমি কখনো তাকে না বলতে পারো না। তোমার যতোই কষ্ট হোক না কেন, যতোই
বাবা-মা”র অবাধ্য হওয়া লাগুক না কেন কিংবা আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে যতো ছোট হতেই হোক না কেন, এমনকি কাজটা করতে তোমার মন তীব্রভাবে বাধা দিলেও সব কষ্ট, সব অনিচ্ছা জয় করে তুমি সেই কাজটা শুধু সে বলেছে বলে করে দাও।
৬। সে যা-ই বলুক বা করুক না কেন, তাতে তুমি প্রবলবেগে মাথা নেড়ে সম্মতি
জানাও। সারা দুনিয়ার মানুষ ভুল বললেও তুমি তা ঠিক বলো। তুমি তাকে অবিরাম সাপোর্ট দিয়ে যাও।
৭। সবসময় তুমি তার জন্য কিছু করার, তাকে ইন্প্রেস করার পরিকল্পনা করো। সে যে
খাবার পছন্দ করে তুমি সেই খাবার রান্না করার চেষ্টা করো। ফুচকা খেতে পছন্দ করলে দু'দিন পরপরই তাকে ফুচকা খাওয়াতে নিয়ে যাও। তার পছন্দগুলো অনুকরণের চেষ্টা করো। সে যে সেলিব্রেটিকে পছন্দ করে তার মতো হেয়ারকাট, জামা কাপড় পরার চেষ্টা করো। সে বিটিএসের পাগলা ফ্যান হলে তুমিও বিটিএসের পাগলা ফ্যান হয়ে যাও।
৮। তুমি তার জীবনের সব সমস্যার সমাধানকারী, তুমি একাধারে তার পার্সোনাল
আ্যাসিসট্যান্ট এবং বডিগার্ড। তুমি তার আ্যাসাইনমেন্ট করে দাও, তার ল্যাব রিপোর্ট লিখে দাও। কেউ তাকে টিয করলে, তার ছবিতে উল্টাপাল্টা কমেন্ট করলে তুমি তাকে মেরে আসো। তুমি তার ড্রাইভার, তুমি তার ক্যাশিয়ার, ফুচকার বিল সবসময় তুমিই দাও। তুমি তার ক্যারিয়ার কাউঙ্সেলর, তুমি তার ডাক্তার, তুমিই তার নার্স। তুমি তার মনোবিদ, তার মন ভালো করে দেবার দায়িত্ব তোমারই। বয়ফ্রেন্ডের সাথে তার ঝগড়া বা ব্রেকআপ হলেও ইমোশনাল সাপোর্ট দেওয়ার দায়িত্ব তোমার। ১
স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন চলে আসে, একজন মানুষ কেন এসব করে? কেন স্বেচ্ছায় অন্য একজন মানুষের দাসে পরিণত হয়? প্রথম ও প্রধান কারণ, ঘুরেফিরে সেই একই-মোহ, হরমোনের খেলা, প্রেমকে জীবনের সবকিছু মনে করা, তাওহীদ না বোঝা, পৃথিবীতে আল্লাহ তাকে কেন পাঠিয়েছেন সেই কারণ সম্পর্কে বেখেয়াল থাকা। পাশাপাশি প্রেমের অন্যান্য ব্যাপারগুলোর মতো এখানেও পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ে নাটক, সিনেমা, গান, কবিতা, উপন্যাস। প্রগতিশীল মিডিয়ার ব্রেইনওয়াশের কারণে প্রেমাতাল মানুষেরা অন্ধভাবে বিশ্বাস করে, এভাবে শত দুঃখ, বেদনা, অপমান সহ্য করে আমি যদি কামলা খেটে যাই, তার পেছনে লেগে থাকি, একদিন না একদিন সে পটে যাবেই। কিন্তু এভাবে প্রতিনিয়ত খুন হয়ে, ব্যাপক সময় নষ্ট করে, প্রচুর শ্রম দিয়ে আল্লাহর অবাধ্য হয়ে, বাবা-মাকে কষ্ট দিয়ে, ক্যারিয়ারের বারোটা বাজিয়ে, টাকাপয়সা নষ্ট করে, নিজের সম্মানকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আসলেই কি লাভ হয়? আমার এক বন্ধু ছিল। ধরি তার নাম সবুজ। যে মেয়েটার হয়ে সে কামলা দিতো সেই মেয়েটার নাম ধরি চম্পা।*১৭ ভার্সিটির চারটা বছর একনিষ্ঠভাবে কামলা খেটে গেছে সবুজ। এমনকি সকালে বুয়া নাস্তা বানাতে দেরি হলে সে খালি পেটে, এমনকি কখনো শুধু তেল দিয়ে ভাত মেখে খেয়ে ভার্সিটিতে দৌড় দিতো চম্পার খেদমতের উদ্দেশ্যে চম্পা বুঝতো সবুজের মনের কথা। কিন্তু কখনো সেটা নিয়ে কথা বলতো না। সবুজও মুখ ফুটে বলতে পারতো না। হঠাৎ একদিন সবুজের মেসেঞ্জারে একটা আংটির ছবি পাঠায় চম্পা। তারপর চম্পা আর অন্য এক ছেলের কাপল ছবি। এই ছেলের সাথেই আ্যাঙ্গেইজমেন্ট হয়েছে তার। ছেলে ইটালি থাকে। সবুজ বেকার। সবুজ আমার পাশেই বসে ছিল। আমি ল্যাপটপে লিখছি, আর সে একটু পর পর আমাকে পচাচ্ছে।।'*৭ মেসেজ আসার পর একেবারে চুপ হয়ে গেল সে। এই থম মেরে থাকাটা থেমে থেমে চালু থাকলো পরের কয়েকটা মাস। চরম ডিপ্রেশনে চলে গেল সে। সবুজ পরে চম্পাকে মেসেজ দিয়েছিল, “তুমি তো জানতে আমি তোমাকে ভালোবাসি... তারপরও কেন এমন করলে? আমাকে অন্তত একবার তো জানাতে পারতে!” সবুজের মেসেজ পেয়ে আকাশ থেকে যেন পড়েছিল চম্পা- “ওমা! সেকি! আমরা তো কেবল খুব ভালো বন্ধু ছিলাম। কখনোই তোমাকে নিয়ে আমি এমন কিছু ভাবিনি! কী বলছো দুর্বল হয়ে পড়বে। ভুলে যাবে তার বয়ফ্রেন্ডকে। ব্রেকআপ করে আমার কাছে চলে আসবে। আল্লাহর কাছে ধুমসে দু'আও শুরু করে দাও। আর তার বয়ফ্রেন্ড কতো খারাপ আর তুমি কতো কেয়ারিং- এসব প্রমাণের চেষ্টা করতে থাকো। দেখো ভাই, এভাবে যে মেয়ে অন্য একজনের সাথে বিচ্ছেদ করে তোমার কাছে আসবে, নিশ্চিত থাকো তোমার সাথে বিচ্ছেদ করে সে অন্য একজনের কাছে চলে যাবে। তোমার মতোই অন্য একজন তার ব্রেইনওয়াশ করবে একদিন।
তুমি এসব! ছি!”
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এভাবে কামলা খেটে, চাকর সেজে ফলাফল আসে না। এগুলো সিনেমার পর্দায় হয়। উপন্যাসের পাতায় হয়। বাস্তবে হয় না। সিনেমায় নায়ক থাকে একজন, কিন্তু তার বাস্তবতায় তো তুমি একাই নায়ক না, তার হাতে তো আরো অনেক অপশান আছে। কেন তোমার কাছেই সে থাকবে? একটা আত্মবিশ্বাসহীন, আত্মসম্মানহীন, ব্যক্তিত্বহীন, নিজের দায়িত্ব কর্তব্য পালনের ব্যাপারে উদাসীন ছেলের কাছে কেন সে থাকবে? না থাকাটাই তো স্বাভাবিক। এভাবে কামলা খেটে আল্লাহর অসন্তুষ্টি, নিজের মর্যাদা নষ্ট করা আর একতরফা ব্রেকআপের ভয়ঙ্কর কষ্ট ছাড়া আর কী তুমি পেলে?
ভাই, তোমার একটা দাম আছে, সম্মান আছে। তুমি মানুষ, তুমি মুসলিম। তুমি সেই মানুষগুলোর একজন যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মানবজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার। মানুষকে তন্ত্রমন্ত্রের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর দাসত্বে ফিরিয়ে আনার জন্য পৃথিবীতে তোমার আগমন। সেই তুমিই এভাবে অন্য একজনের দাস হয়ে গেলে?
তুমি যখন মেয়েদের পেছন পেছন ঘুরো, ফ্লার্ট করার চেষ্টা করো, বেহায়ার মতো সব ছবিতে লাভ রিয়্যাক্ট দাও...বিশ্বাস করো সেই মেয়ের চোখে তোমার দাম থাকে না, সম্মান থাকে না। তুমি ছোট হয়ে যাও তার কাছে। মেয়েরা সাধারণত আত্মসম্মানহীন, PETIT ছেলেকে পছন্দ করে না। সে ভেবে নেয় এই ছেলেটা আমার জন্য পাগল। একে দিয়ে আমি যা খুশি করিয়ে নিতে পারি। তোমার দুর্বলতা, দুর্বলতার গল্পের ডালপালা সাজিয়ে বন বানিয়ে সে তার ফ্রেন্ডদের সাথে হাসি তামাশা করে। দিনশেষে তুমি তার কাছে টিস্যু হয়েই থাকো। যে টিস্যু দিয়ে নাক ঝেড়ে উপেক্ষার ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া যায় যখন তখন। তোমাকে সে আসলে বয়ফ্রেন্ড হিসেবে চায় না। পছন্দ করে না। কিন্তু সে চায় তুমি তার সাথে থাকো। যেন তোমাকে ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যায়। মাঝে মাঝে তোমার সাথে এমন আচরণ করে যাতে মনে হয় সে তোমাকে ভালোবাসে। বোঝাতে চায়-তুমি তার জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবই আসলে অভিনয়। ক্ষণিকের লোক দেখানো আবেগ।
মেয়েদের গালি দিও না। সে কি তোমার কাছে ওয়াদা করেছে বা তোমাকে লিখিত দিয়েছে যে এভাবে জীবনের সকল সমস্যার সমাধান করে দিলে সে তোমার হয়ে যাবে? তোমার জীবনের সব সমস্যার কি সমাধান হয়ে গেছে যে তুমি অন্যের জীবনের সমস্যার সমাধান করতে ব্যস্ত হয়ে যাও? সেবাই মানুষের ধর্ম, মানুষকে সাহায্য করা মহান কাজ, আল্লাহ্ এতে খুশি হন-এইসব আবোলতাবোল ভূগোল বোঝানোর চেষ্টা করো না প্লিজ!
বাবাকে বাজার করতে সাহায্য করো? মাকে বাসার কাজে সাহায্য করো? তোমার ক্লাসের বন্ধুদের সাহায্য করো, তাকে যেভাবে সাহায্য করো সেভাবে? ছেলে বন্ধু কোনো একটা ল্যাব রিপোর্ট লিখে দিলে কিংবা বা আ্যাসাইনমেন্টের ছবি এঁকে দিলে ক্যান্টিনে গিয়ে ঠিকই সিংগাড়া-সামুচা, কোল্ড ড্রিংকস আদায় করে নাও। আর ওর আ্যাসাইনমেন্ট বা ল্যাব রিপোর্টও তুমি নিজে থেকেই লিখে দাও! এটাই তোমার মানুষকে সাহায্য করার নমুনা? বলতে কষ্ট লাগছে ভাই, তবু বলতে হচ্ছে, তুমি দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বোকা। কেউ সমস্যার সমাধান করে দিলেই মেয়েরা তার প্রেমে পড়ে যায় না। তাই যদি হতো তাহলে রিকশাওয়ালা, ফুচকাওয়ালা, মুচি-সবার প্রেমেই তো পড়ে যেতো মেয়েরা। ভাই, নিজেকে আর কতো ছোট করবে? তোমার কি কোনো সম্মান নেই? সে তো পৃথিবীতে একমাত্র মানুষ না। দুনিয়াতে অসংখ্য মানুষ আছে। তুমি কেন তার পেছনে এভাবে নির্লজ্জের মতো ঘুরো, ভাই? ভালোবাসা হতে হলে দুইপাশে একটা সম্মানের সম্পর্ক থাকতে হয়। একপাশে চাকর আর একপাশে মনিব-এভাবে ভালোবাসা হয় না। খেদমত বা বিশ্বস্ততার জন্য মনিবের মনে দয়া, ভালোবাসা থাকতে পারে...তবে সেটা এক মানবের জন্য এক মানবীর মনে যে ভালোবাসা জন্মায় সেই ভালোবাসা না। তোমাকে এমন কাজ করতে দেখলে খুব কষ্ট হয় ভাইয়া। খারাপ লাগে। এভাবে নিজেকে ছোট করো না, মনুষ্যত্বের অপমান করো না। চাকর হয়ো না, প্রকৃত অর্থে পুরুষ হও।
---
টীকা ও তথ্যসূত্র
[৩৯৩] এটা আসলে মেয়েদের ইগোর গোড়ায় পানি ঢালে। তার পেছনে একটা ছেলে পাগলের মতো ঘুরছে, তাকে সে যেভাবে খুশি সেভাবে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাতে পারে, ইচ্ছেমতো তার সব কাজ করিয়ে নিতে পারে- এই বিষয়গুলো ভেবে তারা আত্মতৃপ্তি লাভ করে। [৩৯৪] তোমার মনে তখন চলতে থাকে আমি এভাবে ইমশোনাল সাপোর্ট করলে সে আমার প্রতি [৩৯৫] বর্তমানে সবাই বিবাহিত। পরিচয় প্রকাশিত হলে সংসারে অশান্তি হতে পারে তাই ছদ্মনামের আশ্রয় নেওয়া। [৩৯৬] যতদূর মনে পড়ে মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইয়ের কাজ চলছিল তখন।
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনার হোক।
মন্তব্য করতে প্রবেশ করুন — ফিরে আসবেন ঠিক এখানেই।