এক.
আমরা এমন একটা অদ্ভূত সময়ে বসবাস করছি যখন মিডিয়া ও কালচার সম্পূর্ণভাবে যৌনায়িত। যৌনতা আজ সব জায়গায়। ভয়ঙ্কর ব্যাপারটা হলো এটা শুধুমাত্র যিনাকেন্দ্রিকতায় সীমাবদ্ধ না। বরং মিডিয়া এবং তথাকথিত সাংস্কৃতিক অঙ্গন ত্রমাগতভাবে যিনা এবং অবাধ যৌনতার স্বাভাবিকীকরণে ব্যস্ত। জাতীয় পত্রিকার পাতায় কিশোর-কিশোরীদের আজ শেখানো হচ্ছে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে কোনো সমস্যা নেই, এটিই প্রকৃতির নিয়ম। পত্রিকাগুলোর ফিচারে ধাপে ধাপে শেখানো হচ্ছে কীভাবে নতুন বয়ফ্রেন্ড- গার্লফ্রেন্ডের কাছে সাবেকের কথা বলা যায়। শেখানো হচ্ছে কীভাবে “মধ্যযুগীয়” রক্ষণশীলতা থেকে বের হয়ে আধুনিক হওয়া যায়। কীভাবে নতুন ব্র্যান্ডের সেলফোনের মতো, বারবার নিজের শরীর আর মনের জন্য নতুন নতুন প্রেম খুঁজে নেওয়া যায়। শেখানো হচ্ছে সমকামিতাকে অধিকার হিসেবে দেখতে, পাশ্চাত্য থেকে আমদানি করা রূপাস্তরকামিতাকে (transgenderism) মানবাধিকারের নামে মেনে নিতে। এটাই এখন নরমাল। এটাই রীতি। নাটক, সিনেমা, সিরিয়াল, মিউষিক ইন্ডাস্ট্রি, পর্ন ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপন-এই উদার ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্বব্যবস্থা প্রতিনিয়ত যৌনতার উস্কানি দিয়ে চলেছে। যেন দুনিয়ার সব সুখ, সব আনন্দ কেবল যৌনতায়।% এই বিকৃত, মিথ্যা অভিনয়, অতিরঞ্জিত, কল্পিত চিত্র দেখে তোমাদের মগজধোলাই হয়ে গেছে। তুমি ভাবো তোমার যেসব বন্ধুরা সেক্স করছে তারা চুটিয়ে জীবনটাকে উপভোগ করছে। সেই লেভেলের মজা করছে। তোমার যেহেতু গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড নেই, তাই তুমি কিছুই করতে পারছো না। লাইফকে উপভোগ করতে পারছো না। তাই তোমার প্রেম করতেই হবে। মাস্ট! যা একসময় ছিল অগ্রহণযোগ্য, সমাজ ও মিডিয়ার ক্রমপরিবর্তনশীল আপেক্ষিক নৈতিকতা অনুযায়ী তা-ই আজ নিয়মে পরিণত হয়েছে। যেই যিনা-ব্যভিচার ছিল
অপমানের, লজ্জার, লুকিয়ে রাখার, তা এখন গর্ব, মর্যাদার ও ঘোষণা করার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাই আসমান ও যমীনের মালিকের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলে আজ মানুষ জোর গলায় বলে-প্রেমই তো করছি, কোনো অপরাধ তো করছি না! অথবা কেউ হয়তো বলে বসে-“আমরা সত্যি সত্যি একে অপরকে ভালোবাসি'-আর সত্যি ভালোবাসার ক্ষেত্রে আল্লাহর দেওয়া বিধান বদলে যায় কি না, এর জন্য আলাদা কোনো হিসেব আছে নাকি, সেটা নিয়ে চিন্তায় ফেলে দেয়। কিংবা টেনে আনা হয় সেক্যুলার সমাজের সবচেয়ে প্রিয় যুক্তি, স্বাধীনতাকে। মাই লাইফ মাই রুলস-মন যা চায় তাই করবো, বাধা দেওয়ার তুমি কে?
বারবার শুনতে শুনতে, দেখতে দেখতে, তোমরাও হয়তো এই যুক্তিগুলো মেনে নিয়েছো। হয়তো চেষ্টা করেছো এই যুক্তির মধ্য দিয়ে নিজের কাজগুলোর অজুহাত দাঁড় করাতে। বন্ধুদের আড্ডায়, অনলাইনের কোনো তর্কে, নিজের প্রেমিক বা প্রেমিকাকে Fores করতে, কিংবা নির্ঘুম রাতে নিজের বিবেকের খচখচানিকে চাপা দেওয়ার জন্যে-কোনো না কোনো প্রেক্ষাপটে তুমিও হয়তো চেষ্টা করেছে৷ এই যুক্তিগুলো টেনে নিজের ভুলগুলোর সঠিক সমীকরণ বানাতে।
কিন্তু মিডিয়া আর সমাজের তৈরি করা আপেক্ষিক নৈতিকতার বুলিগুলো আওড়ানোর সময় তুমি কি চিরন্তন, whe নৈতিকতার কথা চিন্তা করো? যে নৈতিকতা ঠিক করে দিয়েছেন তোমার মালিক? তুমি কি সেই পবিত্র সত্ত্বার কথা চিন্তা করো যাঁর কাছে অণু-পরমাণু পরিমাণ কাজেরও হিসেব দিতে হবে? যার কাছে, “সবাই করছিলো তাই আমিও করেছি”-এই যুক্তি দিয়ে পার পাওয়া যাবে না? যার কাছে মিথ্যা বলা যাবে না? যার সামনে যুক্তির পসরা সাজিয়ে বসা যাবে না?
হরমোনের জোয়ারে, শরীরী সুখের উন্মত্ততায় হয়তো সেই পরম করুণাময়ের কথা তুমি ভূলে বসেছে! হয়তো তাঁর স্মরণ থেকে বিমুখ হয়েছে৷ নিজের বিবেকের জ্বালা অবশ করতে। হয়তো নষ্ট সভ্যতা তোমাকে সেই মালিকের কথা আর তাঁর দেওয়া শিক্ষাকে ভূলিয়ে দিয়েছে, যে শিক্ষাকে তুমি তোমার হৃদয়ের ভেতর সত্য হিসেবে জানো।
তাই তোমাদের মনে করিয়ে দেই।
দুই.
ইসলামের ভিত্তি হলো তাওহীদ। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই। কথাটা আমরা সবাই বলি। কিন্তু এর তাৎপর্য আমরা বুঝি না। আল্লাহকে একমাত্র সত্য ইলাহ হিসেবে গ্রহণের অর্থ হলো তাঁকে নিজের এবং সবকিছুর মালিক হিসেবে মেনে নেওয়া। তাঁর প্রেরিত রাসূল (*) এবং তাঁর নির্ধারিত দ্বীনকে গ্রহণ করে নেওয়া। মালিকের সামনে নিজেকে সমর্পণ করা, নিজের ইবাদাত, আনুগত্য, তাঁরই জন্য নির্দিষ্ট করা। লা ইলাহা! ইলাল্লাহ শুধু মুখে আওড়ানোর বুলি না। এই কালেমার
অর্থ আরশের অধিপতি, মালিকুল মুলক আল্লাহর গোলাম হিসেবে নিজের পরিচয়কে চিনতে পারা।
“আমার দেহ, আমার সিদ্ধান্ত' বা, “মাই লাইফ মাই রুলস*-এ ধরনের কোনো চিন্তার স্থান ইসলামে নেই। ইসলাম আমাদের শেখায় এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে; যা কিছু দৃশ্যমান এবং যা কিছু অদৃশ্য, সব কিছুর মালিক আল্লাহ। তিনি মালিকুল মুলক। আসমান ও যমীনসমূহের একচ্ছত্র অধিপতি। বনী আদম তথা মানুষ, মহান আল্লাহর দাস এবং পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি।
আল্লাহ মানুষকে অসংখ্য নিয়ামত দিয়েছেন। দিয়েছেন সম্পদের মালিকানার অধিকারও। তবে মালিকানার এই অধিকারে মানুষ সার্বভৌম না। সবকিছুর মতো মানুষের সম্পদের প্রকৃত মালিকও আল্লাহ। পার্থিব এই জীবনে সীমিত সময়ের জন্য তিনি আমাদের এগুলো ব্যবহার করতে দিয়েছেন। এই সম্পদ অনেকটা আমানতের মতো। মানুষ নিজের চাহিদা অনুযায়ী এই সম্পদ খরচ করতে পারবে। তবে সম্পদের প্রকৃত মালিকের বেঁধে দেওয়া নিয়ম মেনে।
একই কথা শরীরের ক্ষেত্রেও। আমাদের শরীর, সুস্থতা, আয়ু, জীবন-সবকিছুই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নিয়ামত। তিনিই জন্ম, মৃত্যু এবং রিষিকের মালিক। তাই শরীরের উপরও আমাদের মালিকানা সার্বভৌম না। তোমার শরীরের মালিক তুমি না, এর মালিক আল্লাহ। সম্পদের ব্যবহারের যেমন নিয়ম আছে, তেমনি নিয়ম আছে খাবার, পোশাক এবং যৌনতার ক্ষেত্রেও। মহান আল্লাহর বেঁধে দেওয়া হালাল ও হারামের সীমানা মানুষকে মেনে চলতে হয়।
তাই চাইলেই আমরা হারামের জন্য টাকা খরচ করতে পারি না। চাইলেই শূক্রের মাংস কিংবা মদ খেতে পারি না, চাইলেই আমি এই শরীরকে ইচ্ছেমতো বদলাতে পারি না। চাইলেই যেকোনো ভাবে, যে কারো সাথে, যেকোনো সময় ভাগাভাগি করতে পারি না শরীরের উষ্ণতা। এটাই আমার মালিকের বিধান। তাঁর বিধান অমান্য করলে, দুনিয়াতে অবাধ্য হলে আখিরাতে আমাদের জন্য থাকবে শাস্তি। ক্ষেত্রবিশেষে দুনিয়াতেও থাকবে শাস্তির বিধান।
খাবার, পানির মতোই নারী পুরুষের ভালোবাসা এবং দৈহিক চাহিদা মানুষের সহজাত, স্বাভাবিক ব্যাপার। এই চাহিদা পূরণের সঠিক পদ্ধতি আমাদের সৃষ্টিকর্তা বলে দিয়েছেন আর তা হচ্ছে বিয়ে। বিয়ের ভেতরে যৌন সম্পর্ক বৈধ, বিয়ের বাইরে তা অবৈধ”! একটা নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছানোর পর মানুষ যখন নিজের ভেতরে যৌন চাহিদা অনুভব করবে, তখন সে বিয়ে করবে। এভাবে সে হালাল ভাবে নিজের চাহিদা পূরণ করতে
পারবে, একই সাথে এর সাথে যুক্ত হবে ভালোবাসা, বিশ্বাস, মমতা। নারীপুরুষের চিরন্তন আকর্ষণের শক্তি কাজে লাগে পরিবার গড়তে। আর সেই পরিবার থেকে জন্ম হয় পরবর্তী প্রজন্মের।
কিন্তু তুমি বিয়ের কথা ভেবে আফসোস করছে না। বিয়ের কথা ভাবছো না। বিয়ে করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে৷ না।””* তুমি আফসোস করছে গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ডের জন্য। তুমি সময়-শ্রম ব্যয় করে যাচ্ছে! কয়েক মিনিটের শরীরী সুখের জন্য।
তিন.
তোমার মাথায় সেক্স নিয়ে যা ঘুরছে, যে ফ্যান্টাসি তুমি করছো, তার অধিকাংশের সাথেই বাস্তবতার কোনো মিল নেই। সেক্স মজার জিনিস, সেক্সে আনন্দ আছে, তৃপ্তি আছে... এগুলো সব সত্য। কিন্তু এই ভোগবাদী বিশ্বব্যবস্থা যেভাবে সেক্সকে উপস্থাপন করে, বাস্তবতা তা থেকে বহুদূর।
যৌনজীবন শুরুর পর প্রথম প্রথম কয়েকদিন খুব ভালো লাগবে। অনেক বার সেক্স হবে। কিন্তু এরপর দেখবে একে খুব বিশেষ কিছু একটা মনে হচ্ছে না। এটা শুধু তোমার জন্য প্রযোজ্য না। পৃথিবীর সব মানুষের জন্যই সত্য। ব্যাপারটা এভাবে চিন্তা করে দেখো। ক্ষুধার্ত মানুষ প্রতিনিয়ত শুধু খাবারের কথা ভাবে, কিন্তু যার বাসায় খাবার আছে সে ক্রমাগত খায় না। খাবারকে কেন্দ্র করে তার পুরো জীবনযৌবন, অস্তিত্ব কিন্ত আবর্তিত হয় না।
শুধু শরীরের আকর্ষণ আর FACS পুঁজি করে সম্পর্ক গড়া যায় না। পরিবার গড়া যায় না। গড়া যায় না সভ্যতা। আজ যৌনতাকে বিয়ে থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছে। ফলে যৌনতাই লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ যৌনতৃপ্তির মধ্যে ভালোবাসা খুঁজে বেড়াচ্ছে।
যৌন আনন্দ তীব্র, কিন্তু ক্ষণস্থায়ী। এই সাময়িক উত্তেজনা দিয়ে মানুষের সব চাহিদা পূরণ হয় না। একজন মানুষকে নিজের করে পাওয়ার, চোখ বন্ধ করে তার উপর নির্ভর করার, বিশ্বাস করার, নিজের সুখদুঃখ তাঁর সাথে ভাগাভাগি করার, দুজনের ভালোবাসায় একটা শিশুকে বড় করার যে স্বাভাবিক তাড়না মানুষের রক্তের ভেতরে খেলা করে, শ্রেফ সেক্স দিয়ে সেটাকে মেটানো যায় না। কিন্তু মানুষ আজ তাই করার চেষ্টা করছে। নিষ্ফলভাবে ছোটাছুটি করছে দেহ থেকে দেহে, বিছানা থেকে বিছানায়।
নিজের শরীরকে সস্তায় তুলে দিচ্ছে অন্যের হাতে। কিন্তু তৃপ্ত হতে পারছে না। কোনো গাড়ি কীভাবে সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেবে সেটা সেই গাড়ি যারা তৈরি করেছে তারাই সবচেয়ে ভালো জানে। মহান আল্লাহর জ্ঞান পরিপূর্ণ। আমাদের কী প্রয়োজন, আমাদের চেয়ে তিনি ভালো জানেন। তাই তিনি আমাদের জন্য এমন পথ ঠিক করে দিয়েছেন যা আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো। কিন্তু আমরা আজ তাঁর কথা ভূলে বসেছি। তাঁর নির্দেশনাগুলো উপেক্ষা করছি। মা-বাবা সন্তানের কোনো ক্ষতি চান না। সন্তানকে ক্ষতিকর কোনো কিছু করতে দেখলে তারা TF হন। ব্যথিত হন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদেরকে মা-বাবার চাইতেও বহুগুণে বেশি ভালোবাসেন। তিনি কখনোই চান না যে আমরা অশ্লীলতায় ডুবে নিজেদের ধ্বংস করে ফেলি। মানুষকে যিনা-ব্যভিচার করতে দেখলে তিনি ক্রুদ্ধ হন। রাসূলুল্লাহ (৯) বলেছেন, “হে মুহাম্মাদের উম্মতবৃন্দ, আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন কেউ নেই, তিনি তাঁর কোনো বান্দার ব্যভিচার করা দেখতে পছন্দ করেন না।'১%! তিনি বলেছেন, “যে বিষয়গুলোর ব্যাপারে আমি তোমাদের জন্য আশঙ্কা করছি সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হল- তোমাদের উদর ও লজ্জাস্থানের বিপথগামী কামনাবাসনা এবং রিপু অনুসরণের AEs |] আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (#) যে কাজগুলোকে সবচেয়ে নিকৃষ্টের অন্যতম বলে চিহ্নিত করেছেন, যা কিছুর ব্যাপারে আমাদের সতর্ক করেছেন, আজ আধুনিক পৃথিবী সেগুলোকেই বলছে প্রগতি, স্বাধীনতা আর আধুনিকতা বছরে দুইবার কুকুরীর শরীর গরম হয়। যৌন তাড়নায় সে তখন পাগলের মতো হয়ে যায়। অস্থির হয়ে ছুটে বেড়ায়। পুরুষ কুকুররা তাকে NEF ভিড় করে। চলে যেখানে সেখানে রতিক্রিয়া। আধুনিক মানুষের যৌনতার সাথে কুকুরের এই আচরণের তফাৎ কোথায়? পশুর জন্য যা স্বাভাবিক, আশরাফুল মাখলুকাত মানুষের জন্য তা অপমানজনক। অবাধ যৌনতা মানুষকে পশুর পর্যায়ে নামিয়ে আনে। যৌনতাকে বিয়ে থেকে বিচ্ছিন্ন করা হলো মহান আল্লাহর তৈরি নিয়মকে উল্টে দেওয়া।
আর তুমি...
তুমি স্বেচ্ছায় অন্ধকারের এই অবগাহনে অংশ নিচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে আল্লাহর নির্ধারিত নিয়মকে উল্টে দেওয়ার শয়তানী প্রকল্পে। পশুর পর্যায়ে টেনে নামাচ্ছে৷ নিজেকে। নিজের অন্তরকে ডুবাচ্ছে ক্লেদাক্ত, কলুষিত অন্ধকারে। তিলে তিলে ধ্বংস করছে! তোমার আত্মাকে।
---
টীকা ও তথ্যসূত্র
[১০৭] বিস্তারিত জানার জন্য পড়ো, ইলমহাউস পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত আমাদের মুক্ত বাতাসের খোঁজে বইটি। [১০৮] তবে ইসলামসম্মত দাসীর সাথে যৌনতা হতে পারে। এই দাসী আমাদের বাসা বাড়িতে কাজ করে এমন দাসী নয়। বিস্তারিত জানার জন্য পড়তে পারো মাকতাবাতুল আযহার থেকে প্রকাশিত ইসলামে দাস-দাসী ব্যবস্থা বইটি। লেখক- শামসুল আরেফিন শক্তি। [১০৯] তুমি বলতেই পারো, চাইলেই কি বিয়ে করা যায়? ৩০ বছর পার হলেও বাবা-মা বিয়ে দিতে চায় না আর আপনি আসছেন বিয়ে নিয়ে। যান যান, ভাগেন। চাইলেই বিয়ে করা যায় না- এটা একদম মিথ্যে কথা। তুমি যদি আন্তরিকভাবে চাও তাহলে ইন শা আল্লাহ অবশ্যই বিয়ে করতে পারবে। বইয়ের পরবর্তী অংশে আলোচনা আছে। বিস্তারিত জানার জন্য Lostmodesty.com থেকে পড়ো “তুমি এক দূরতরো দ্বীপ” ও হয়নি যাবার বেলা” লেখা দুটি-ঢাঙ11.00710/0010017001 , tinyurl.com/ hoinijabarbela [১১০] সহীহ বুখারী ৫২২১, ১০৪৪ [১১১] মুসনাদ আহমাদ ১৯৭৭২, মাজমাউয যাওয়াইদ হা. ৮৯১, সহীহ আত-তারগীব ৫২, ২১৪৩। হাইসামী রাহি. হাদিসটির বর্ণনাকারীদেরকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আলবানী রাহি. হাদিস- টিকে সহীহ বলেছেন।
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনার হোক।
মন্তব্য করতে প্রবেশ করুন — ফিরে আসবেন ঠিক এখানেই।